পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শত কোটি টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগে এলাকাজুড়ে তোলপাড়
টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার বাশি গ্রামে এক পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নাম-বেনামে শত কোটি টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে এলাকায় চলছে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা। স্থানীয়রা বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্তে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।
অভিযোগে বলা হয়েছে, প্রায় ২৫ বছর আগে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় পুলিশে যোগ দেওয়া ওই কর্মকর্তা বর্তমানে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন বিভাগে কর্মরত। তাঁর বাবা একসময় দিনমজুরের কাজ করতেন। অথচ বর্তমানে তিনি এলেঙ্গা পৌরসভা ও আশপাশের এলাকায় একাধিক বাড়ি, প্লট, দোকান ও জমির মালিক হয়েছেন।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, এলেঙ্গা হাইস্কুল সংলগ্ন একটি বাড়ি, গরুর হাটের পাশে প্লট, সাহাপাড়া ও বাজারসংলগ্ন জমিসহ অন্তত ৫০০ শতাংশ জমি রয়েছে তাঁর দখলে। এসব সম্পদের বাজারমূল্য কয়েক শত কোটি টাকা বলে স্থানীয়দের দাবি। পাশাপাশি ঢাকায়ও তাঁর নামে ও বেনামে বাড়ি, ফ্ল্যাট, গাড়ি ও ব্যাংক আমানতের খবর পাওয়া গেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, তিনি কখনও অর্থ দিয়ে জমি কিনেছেন আবার কখনও প্রভাব খাটিয়ে জমি দখল করেছেন।
অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট এএসআই মন্তব্য করেছেন— “আমার বেতনে সংসার চালাতেই হিমশিম খেতে হয়। আমার নামে কোনো সম্পত্তি নেই। অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।”
সর্বশেষ আপডেট
সম্প্রতি দুর্নীতি দমন কমিশন বিভিন্ন স্থানে সরকারি কর্মকর্তাদের সম্পদ অনুসন্ধানে অভিযান জোরদার করেছে। টাঙ্গাইলের এই ঘটনাটিও সেই প্রেক্ষাপটে নতুন করে আলোচনায় এসেছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভ্যন্তরে শুদ্ধি অভিযানের দাবি তুলছেন স্থানীয়রা।
প্রশ্ন হচ্ছে— এমন অভিযোগ যখন উঠছে সাধারণ মানুষের মাঝে আস্থার সংকট তৈরি করে, তখন কি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত স্বচ্ছ তদন্ত নিশ্চিত করতে পারবে?
