পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী নেতা শুভেন্দু অধিকারীর দাবি: প্রায় ৪ লাখ বাংলাদেশিকে পুশ ব্যাক
কলকাতার একটি পাঁচতারকা হোটেলে ভারতের সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথ প্রমাণিকের লেখা নতুন বইয়ের মোড়ক উম্মোচন অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী নেতা শুভেন্দু অধিকারী প্রায় ৪ লাখ বাংলাদেশি নাগরিককে পুশ ব্যাক করার দাবি করেছেন।
শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “আমি ভারত সরকার এবং বিএসএফকে বিশেষ ধন্যবাদ জানাই, কারণ প্রায় ৪ লাখ অবৈধ বাংলাদেশি মুসলিম অনুপ্রবেশকারীকে পুশ ব্যাক করা হয়েছে।” তিনি বিজিবিকেও ধন্যবাদ জানান।
তার অভিযোগ, “ভারত সরকার পরিষ্কারভাবে বলেছে, যদি কারো ভিসা বা পারমিট থাকে আমরা কাউকেও পুশ করব না। তারপরেও পশ্চিমবঙ্গ সরকার অনুপ্রবেশকারীদের আশ্রয় দিচ্ছে। তারা শুধুমাত্র ভোট ব্যাংকের রাজনীতির কারণে এমন করছে।”
প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ৪ লাখের এই পুশ ব্যাক মূলত দক্ষিণী রাজ্যগুলো থেকে হয়েছে। সবচেয়ে বেশি কার্যক্রম ঘটেছে মহারাষ্ট্র, গুজরাট এবং হরিয়ানায়। এছাড়াও দিল্লি, উত্তর প্রদেশসহ অন্যান্য রাজ্য থেকেও এই ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, কেন্দ্র সরকার এবং সীমান্ত রক্ষী বাহিনী এ নিয়ে তৎপরতা অব্যাহত রেখেছে। তবে, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অবস্থান ও প্রতিক্রিয়া এখনও স্পষ্টভাবে প্রকাশ করা হয়নি।
এই দাবির প্রেক্ষিতে প্রশ্ন উঠে—কীভাবে এই ধরনের পদক্ষেপ সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলোর সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিবেশকে প্রভাবিত করতে পারে? রাজনীতির প্রভাব এবং মানবিক বিষয়ের মধ্যে সমন্বয় কীভাবে সম্ভব? পাঠকের মতামত ও বিশ্লেষণ গুরুত্ব বহন করছে।
