জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটকে কেন্দ্র করে জনগণের উৎসাহ

দেশের মানুষ আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট দিতে উন্মুখ হয়ে আছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান। নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণার পর থেকেই জনগণের মধ্যে ভোটকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উৎসাহ তৈরি হয়েছে।

সোমবার জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের ৩৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন,

“জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণার পর থেকে দেশের মানুষ ফেব্রুয়ারিতে ভোট দিতে উন্মুখ। এটি জনগণের ভোট দেওয়ার প্রত্যাশা পূরণ করবে। একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমেই দেশের মানুষ গণতন্ত্র ফিরে পেতে পারে।”

ড. মঈন খান আরও বলেন, জনগণ তাদের পছন্দের ৩০০ প্রতিনিধি বাছাইয়ের একমাত্র মাধ্যম হলো সুষ্ঠু নির্বাচন। এছাড়া ২০০৯ সালে জন্ম নেওয়া তরুণরাও আগামী ফেব্রুয়ারিতে প্রথমবারের মতো ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাবে।

তিনি সাবেক সরকারের ভূমিকা নিয়ে বলেন,

“১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে আওয়ামী লীগ সঠিক ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ হয়েছে। সে সময় তারা পালিয়ে গিয়েছিল, এবং স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন জিয়াউর রহমান।”

ড. মঈন খান গণতন্ত্র ও অর্থনৈতিক মুক্তিকে মুক্তিযুদ্ধের মূল লক্ষ্য উল্লেখ করে বলেন,

“বিএনপি এই লক্ষ্য সামনে রেখে কাজ করছে। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার একমাত্র পথ হলো ভোট। বন্দুকের মাধ্যমে নয়, ব্যালটের মাধ্যমে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে হবে।”

শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক জয়নুল আবেদীন, মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইশতিয়াক আজিজ উলফাত, সাধারণ সম্পাদক সাদেক খান ও যুগ্ম সম্পাদক আলহাজ নূর আহমেদ প্রমুখ।

প্রশ্নটি উঠছে, নির্বাচনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার এই উৎসাহ কতটা সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোট প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে, এবং আগামী ফেব্রুয়ারিতে দেশের গণতন্ত্র কি নতুন উদ্দীপনা পাবে কি না—এটাই এখন সমগ্র রাজনৈতিক মহলের নজরের বিষয়।

Next News Previous News