নির্বাচনকে কেন্দ্র করে অন্তর্বর্তী সরকারের দ্বিতীয় অধ্যায় শুরু
ঢাকা: এক বছর অতিক্রম করে নতুন মিশনে এগিয়ে চলেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। উপদেষ্টা পরিষদের সর্বশেষ বৈঠকে জানানো হয়েছে—প্রথম অধ্যায় সফলভাবে সম্পন্ন করে এখন শুরু হয়েছে দ্বিতীয় অধ্যায়, যার মূল লক্ষ্য ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করা।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর সচিবালয়ে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব। তাঁর ভাষায়, “গত ৫ আগস্ট প্রথম অধ্যায় শেষ হয়েছে। আজ থেকে দ্বিতীয় অধ্যায় শুরু হলো। এর প্রধান কাজ হচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু ও সুন্দর করা।”
এদিন দুপুর সোয়া ২টার দিকে সচিবালয়ে এ বক্তব্য দেন তিনি। সকালে প্রধান উপদেষ্টার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয় উপদেষ্টা পরিষদের নিয়মিত বৈঠক। এতে উপদেষ্টাদের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিবরাও অংশ নেন। বৈঠকে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় থেকে উত্থাপিত প্রস্তাবিত নির্ধারিত বিষয়গুলোর ওপর বিস্তৃত আলোচনা হয়।
বৈঠকে আরও সিদ্ধান্ত হয়, সাম্প্রতিক মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে যুদ্ধবিমান দুর্ঘটনার সময় সাহসিকতার সঙ্গে জীবন ঝুঁকিতে ফেলে শিক্ষার্থীদের রক্ষা করা শিক্ষিকা মেহেরিন চৌধুরীকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সম্মাননা অ্যাওয়ার্ড দেয়া হবে। প্রেস সচিব বলেন, “তাঁর সাহসিকতার স্বীকৃতিস্বরূপ একটি অ্যাওয়ার্ড দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।”
উল্লেখযোগ্যভাবে, গত বছরের ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকারের যাত্রা শুরু হয়। শুরুর দিকে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হতো রাষ্ট্রীয় বাসভবন ‘যমুনা’-তে। তবে সরকার পতনের দিন ক্ষতিগ্রস্ত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সংস্কারের পর সেটিকেই প্রধান উপদেষ্টার অফিস হিসেবে রূপান্তর করা হয়েছে এবং এখন থেকে সেখানেই নিয়মিতভাবে এসব বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
সাম্প্রতিক প্রেক্ষাপট: নির্বাচনকালীন এই সরকারের ওপর দেশ-বিদেশে নজর রয়েছে। আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই নিরপেক্ষ নির্বাচনের রূপরেখা এবং কার্যক্রম দৃশ্যমান হবে বলে আশা করছে সাধারণ জনগণ ও বিশ্লেষক মহল।
তথ্যসূত্র: সচিবালয় ব্রিফিং, শিক্ষা মন্ত্রণালয়
প্রশ্ন পাঠকের প্রতি: আপনি কি মনে করেন, অন্তর্বর্তী সরকারের এই দ্বিতীয় অধ্যায় সত্যিকার অর্থেই একটি সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে পারবে?
