ভারত-পাকিস্তানের পতাকা বুর্জ খলিফায়, কত টাকা খরচ হবে দুই দেশের
বুর্জ খলিফায় পতাকা প্রদর্শনের খরচ: কত দেই দু’দেশ করলো?
বিশ্বের সর্বোচ্চ ভবন বুর্জ খলিফায় আজ পাকিস্তান ও আগামীকাল (১৫ আগস্ট) ভারতের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে প্রদর্শিত হবে দুই দেশের পতাকা—কিন্তু তাতে বিনা খরচ নয়। দুই দেশকেই আজাচ্ছে প্রেজেন্টেশন ফি—আলোট করা সময়ের ওপর নির্ভর করে মূ্ল্য নির্ধারিত হয়েছে।
মূল সংবাদ সারসংক্ষেপ
পাক-ভারতের পতাকা প্রদর্শন হচ্ছে বুর্জ খলিফার এলইডি লাইটে, প্রতিটি মাত্র ৩ মিনিটের জন্য। কিন্তু বিনামূল্যের নয়। ভবনের মালিক **এমার প্রপার্টিজ** থেকে অনুমতি ছাড়া প্রদর্শন সম্ভব নয়।
প্রদর্শনের খরচ সময় ও দিনের ওপর নির্ভর করে:
**সোমবার-শুক্রবার (রাত ৮-১০টা)** — ২.৫ লাখ দিরহাম (~৮৩ লাখ টাকা)
**শনিবার-রবিবার (রাত ৮-১০টা)** — ৩.৫ লাখ দিরহাম (~১ কোটি ১৬ লাখ টাকা)
**যে কোনো দিন (সন্ধ্যা ৭টা-রাত ১২টার মধ্যে ৫ মিনিট)** — ৪ লাখ দিরহাম (~১ কোটি ৩৩ লাখ টাকা)
স্লাইডে আলো—আপডেট ব্লক
পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবসে (১৪ আগস্ট) বুর্জ খলিফায় পাকিস্তানি পতাকা প্রদর্শন হয়েছে—বিশাল পদচিহ্ন রেখে। সূত্র: গালফ নিউজ 0
আগামীকাল (১৫ আগস্ট) ভারতের পতাকা প্রদর্শনের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে রাত ৭:৫০-এ। সূত্র: গালফ নিউজ 1
মূল সংবাদ: ঢাকা পোস্ট (আন্তর্জাতিক ডেস্ক)
বিশ্লেষণ
এই প্রদর্শন দুই দেশের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ প্রতীক হিসেবে কাজ করলেও, প্রকৃত ব্যয় একাধিক কোটি টাকা—যা একটি বিজ্ঞাপন ফরম্যাটে পরিণত। এটি বুর্জ খলিফার বৈশ্বিক দৃষ্টিভঙ্গিতে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের বিষয়ে চিত্রণও বটে। তবে সেই খরচ কি শুধুই প্রতীকী, নাকি দ্বিপাক্ষিক কূটনীতিতে এটি নতুন দ্বার খুলেছে—সেরকম প্রশ্নই আমাদের সামনে আসে।
আপনার মতে?
আপনি কী মনে করেন, স্বাধীনতা দিবসে পতাকা প্রদর্শনকে আরও সামাজিক ও জনসাধারণের অংশীদারির মাধ্যমে করা উচিত ছিল না, নাকি এটা একটি প্রভাবশালী আন্তর্জাতিক প্রদর্শনের মাধ্যম—যা ব্যয় সত্ত্বেও সার্থক?
```2