হাতিয়া দ্বীপের উন্নয়নে প্রতিশ্রুতি, অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে না জড়ানোর আহ্বান

হাতিয়ার নদী ভাঙনকবলিত এলাকায় পরিদর্শন শেষে এক সমাবেশে জাতীয় নাগরিক পার্টির এক নেতা বলেছেন, “গণঅভ্যুত্থান সফল না হলে আমাকে হয়তো মাটির নিচে কিংবা আয়নাঘরে থাকতে হতো”। তাঁর ভাষায়, “আমি আজ আপনাদের সামনে কথা বলছি কারণ গণঅভ্যুত্থান সফল হয়েছে”

সমাবেশে তিনি স্পষ্ট করে জানান, স্থানীয়দের কাছে কখনো ভোট চাইবেন না। বরং যোগ্য প্রার্থী পেলে সবাইকে সেই ব্যক্তিকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান। তাঁর মতে, হাতিয়া দ্বীপের উন্নয়নই হবে মূল লক্ষ্য, আর উন্নয়ন যিনি করতে পারবেন, তাকেই জয়যুক্ত করা উচিত।

অভ্যন্তরীণ শান্তি বজায় রাখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “বিএনপি-জামায়াত বা এনসিপি—যেই দলে থাকুন না কেন, নিজেদের মধ্যে মারামারি করলে সারা দেশের মানুষ আমাদের সম্পর্কে নেতিবাচক ভাববে”

তিনি আরও জানান, নিজের কোনো সরকারি পদ বা বিশেষ ক্ষমতা না থাকলেও, স্থানীয়দের সমস্যাগুলো তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছে দেন এবং উন্নয়ন প্রকল্প আনার চেষ্টা করেন। নদী ভাঙনের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা উল্লেখ করে তিনি জানান, তাঁর পরিবারের সদস্যরাও বহুবার ক্ষতির শিকার হয়েছেন।

উন্নয়ন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে তিনি জানান, এ মাসের শেষ দিকে জাপান থেকে একটি বিনিয়োগকারী টিম হাতিয়া দ্বীপ পরিদর্শনে আসবে। সঠিকভাবে কাজ করার সুযোগ পেলে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে হাতিয়াকে সেন্টমার্টিনের থেকেও সুন্দর করে তোলার প্রতিশ্রুতি দেন।

সমাবেশে স্থানীয় ও দলের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

প্রশ্ন রইল—যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলো, তা বাস্তবে রূপ নিতে হাতিয়া দ্বীপবাসী কি সমন্বিতভাবে এগিয়ে আসতে পারবেন?

Next News Previous News