বাংলাদেশকে বৈষম্যহীন শক্তিশালী গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়তে আহ্বান
বাংলাদেশকে একটি বৈষম্যহীন, শক্তিশালী ও অংশগ্রহণমূলক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। পাশাপাশি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যেকোনো ষড়যন্ত্র সম্পর্কে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ‘ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ও জাতীয় নিরাপত্তা ভাবনা’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় এই আহ্বান জানানো হয়।
আলোচনায় বক্তারা উল্লেখ করেন, চট্টগ্রাম অঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরে দেশি ও বিদেশি নানা ষড়যন্ত্র চলেছে। তাঁদের ভাষায়, “দেশের অখণ্ডতা রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে।”
এছাড়া আলোচনায় বলা হয়, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার নামে বাণিজ্য হয়েছে এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে মানুষের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করা হয়েছে। তাঁদের ভাষায়, “স্বাধীনতার পক্ষে বা বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে জাতিকে আর বিভক্ত করা যাবে না।”
সাম্প্রতিক প্রেক্ষাপট: জাতীয় নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা বর্তমানে আরও জোরদার হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশকেও কৌশলগত প্রস্তুতি জোরদার করতে হবে।
প্রশ্ন হচ্ছে—আমরা কি এখনই এমন একটি পরিবেশ গড়তে পারব, যেখানে বৈষম্য ও বিভাজনের স্থান থাকবে না?
