সাদা পাথর লুটপাট তদন্তে মাঠে দুদক
সিলেটে দেশের অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র সাদা পাথরে নজিরবিহীন লুটপাটের ঘটনা তদন্তে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
দুপুরে দুদকের সিলেট কার্যালয়ের সহকারী পরিচালকের নেতৃত্বে ৯ সদস্যের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। তারা স্থানীয় প্রশাসন ও এলাকাবাসীর কাছ থেকে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করেন। দুদকের দাবি, এই পরিদর্শনের মূল উদ্দেশ্য হলো—লুটপাটে কারা জড়িত এবং এর পেছনে কোনো প্রশাসনিক ভূমিকা ছিল কি না, তা খুঁজে বের করা।
গত দুই সপ্তাহে গণহারে পাথর তুলে এই এলাকা বিরাণভূমিতে পরিণত হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তাঁদের ভাষায়, “লুটপাট করে কয়েক হাজার কোটি টাকার পাথর নিয়ে যাওয়া হয়েছে।” এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলের স্থানীয় শীর্ষ নেতার পদ স্থগিত করা হয়েছে।
দুদকের এক কর্মকর্তার ভাষায়, “সরেজমিনে পাথর লুটের সত্যতা পাওয়া গেছে। এখন খোঁজ চলছে—এতে কারা জড়িত, প্রশাসনের ভূমিকা কী ছিল, এবং লুট করা পাথর কোথায় নেওয়া হয়েছে।” তিনি আরও জানান, স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য ও সব প্রমাণ মিলিয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন তৈরি হবে, যার ভিত্তিতে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সাম্প্রতিক আপডেট: স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাস্থলে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং নতুন করে লুট ঠেকাতে প্রশাসন পর্যবেক্ষণ বাড়িয়েছে।
এই ঘটনা শুধু প্রাকৃতিক সম্পদ নয়, পর্যটন শিল্প ও প্রশাসনিক দায়বদ্ধতার ওপরও বড় প্রশ্ন তুলেছে। আপনার কি মনে হয়—এ ধরনের লুটপাট রোধে শাস্তি কঠোর করা উচিত?
