বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন কেন্দ্রিক মামলায় সাবেক মন্ত্রী-উপদেষ্টাসহ ৯ জনকে গ্রেপ্তার দেখান

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানার বিভিন্ন মামলায় সাবেক সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা ৯ জন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে আদালত। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে দায়ের করা মামলাগুলোর তদন্তে এই পদক্ষেপ নিয়েছে পুলিশ।

বুধবার সংশ্লিষ্ট মামলাগুলোর তদন্ত কর্মকর্তারা ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আবেদন করলে ম্যাজিস্ট্রেট মাসুম মিয়া এ আদেশ দেন।

গ্রেপ্তার দেখানো ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান এবং সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। এ ছাড়া সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, সাবেক মন্ত্রী আমীর হোসেন আমু, সাবেক আইজিপি শহীদুল হক, সাবেক সচিব জাহাঙ্গীর আলম, সাবেক সংসদ সদস্য কাজী মনিরুল ইসলাম মনু এবং যাত্রাবাড়ী থানার সাবেক ওসি আবুল হাসান রয়েছেন এই তালিকায়।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, কাজী মনিরুল ইসলাম মনুকে আটটি মামলায়, আনিসুল হক, আবুল হাসান, জাহাঙ্গীর আলম, পলক ও শহীদুল হককে দুটি করে মামলায় এবং সালমান এফ রহমান, দীপু মনি ও আমীর হোসেন আমুকে একটি করে মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

তদন্তসংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা বলেছেন, “তদন্তের স্বার্থে ও মামলার অগ্রগতির জন্যই তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।”

সাম্প্রতিক প্রেক্ষাপট: এর আগে বিভিন্ন দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি এবং প্রশাসনিক অপব্যবহারের অভিযোগে একাধিক সাবেক কর্মকর্তার ব্যাংক হিসাব ও সম্পদ ফ্রিজ করার নির্দেশ এসেছে। একই সঙ্গে আইএফআইসি ব্যাংকের কর্মকর্তাসহ বেশ কয়েকজনের বিদেশ যাত্রাতেও নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

প্রশ্ন রইল: দেশের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ব্যবস্থায় এইসব পদক্ষেপের ভবিষ্যৎ প্রভাব কী হতে পারে? আপনি কি মনে করেন, এই গ্রেপ্তার কার্যক্রম একটি সুশাসনের বার্তা বহন করছে, নাকি এটি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অংশ?

Next News Previous News