কিউবার প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা
কিউবার প্রেসিডেন্টসহ ঘনিষ্ঠদের ওপর নতুন মার্কিন নিষেধাজ্ঞা
কিউবার প্রেসিডেন্ট মিগুয়েল দিয়াজ-কানেলসহ তার ঘনিষ্ঠ কয়েকজন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।
নতুন নিষেধাজ্ঞার আওতায় মোট চারজন ব্যক্তি ও পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছেন প্রেসিডেন্ট দিয়াজ-কানেলের স্ত্রী লিস কুয়েস্তা পেরাজা, কাস্ত্রো পরিবারের দুই সদস্য এবং কিউবার বিপ্লবী সশস্ত্র বাহিনী মন্ত্রণালয়।
তবে এ বিষয়ে কিউবা সরকারের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
৬৬ বছর বয়সী মিগুয়েল দিয়াজ-কানেল ২০১৮ সালে কিউবার প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন, সাবেক নেতা রাউল কাস্ত্রোর কাছ থেকে। রাউল কাস্ত্রো ছিলেন কিউবার বিপ্লবী নেতা ফিদেল কাস্ত্রোর ভাই।
বিশ্লেষকদের মতে, কিউবার কমিউনিস্ট নেতৃত্বের ওপর চাপ বাড়ানোর উদ্দেশ্যে ওয়াশিংটনের ধারাবাহিক নীতির অংশ হিসেবেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র চায় কিউবা একটি ‘সুশাসিত রাষ্ট্র’ হিসেবে পরিচালিত হোক।
অন্যদিকে কিউবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্রুনো রদ্রিগেজ এই নিষেধাজ্ঞাকে ‘জঘন্য’ বলে উল্লেখ করে বলেন, এটি যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপমূলক নীতির আরেকটি উদাহরণ। তিনি দাবি করেন, দুই দেশের মধ্যে সংঘাত তৈরি করার যেকোনো চেষ্টা ব্যর্থ হবে।
এর আগে গত মাসেও কিউবার ১১ কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র, যাদের মধ্যে ছিলেন উচ্চপদস্থ সামরিক ও সরকারি কর্মকর্তারা।
