কৃষকদের নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হচ্ছে

কীওয়ার্ড: যশোর, বিদ্যুৎ, জ্বালানি তেল, কৃষক, সেচ, অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, উলাশী খাল

সেচ মৌসুমে কৃষকদের যাতে কোনো ধরনের ভোগান্তিতে পড়তে না হয়, সে লক্ষ্যে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। শনিবার যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের প্রভাব বাংলাদেশেও পড়েছে। তবে সরকার পরিস্থিতি সামাল দিতে এবং জনগণকে স্বস্তি দিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে। বিশেষ করে চলমান সেচ কার্যক্রমের কারণে কৃষকদের প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

সেচ মৌসুমে বিশেষ নজর

তিনি বলেন, বর্তমানে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সেচ কার্যক্রম পুরোদমে চলছে। এই সময়ে কৃষকদের বিদ্যুৎ বা ডিজেল সরবরাহে বিঘ্ন ঘটলে উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। সে কারণে কৃষি উৎপাদন সচল রাখতে সরকার সমন্বিতভাবে কাজ করছে।

প্রতিমন্ত্রীর ভাষায়, কৃষক যেন কোনোভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত না হন, সে বিষয়টি সরকার অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। কৃষি খাতে জ্বালানি সরবরাহ স্থিতিশীল রাখা খাদ্য নিরাপত্তার জন্যও গুরুত্বপূর্ণ।

প্রধানমন্ত্রীর যশোর সফর

আগামী ২৭ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যশোর সফরে আসবেন বলে জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী। সফরের অংশ হিসেবে তিনি যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন এবং উলাশী খাল পুনঃখনন প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই সফর কেবল আনুষ্ঠানিক নয়; এর মাধ্যমে যশোর অঞ্চলের উন্নয়ন কার্যক্রমে নতুন গতি আসবে। তার দাবি, দীর্ঘদিন ধরে থেমে থাকা উন্নয়ন প্রকল্পগুলো আবার সচল হবে।

উলাশী খাল পুনঃখনন

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান-এর উদ্যোগে খনন করা উলাশী খাল পুনঃখননকে যশোরবাসীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প হিসেবে তুলে ধরেন তিনি। এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে স্থানীয় কৃষি, পানি নিষ্কাশন এবং পরিবেশ ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

সফর উপলক্ষে জেলা প্রশাসন, সংশ্লিষ্ট দপ্তরপ্রধান এবং নিরাপত্তা সংস্থার সদস্যদের সঙ্গে প্রস্তুতিমূলক সভাও অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

স্বাস্থ্য ও অবকাঠামো উন্নয়ন

সফরের অংশ হিসেবে ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কার্যক্রমও উদ্বোধন করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। হাসপাতালটি চালু হলে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের স্বাস্থ্যসেবায় বড় ধরনের ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

Source: Based on reporting from Amar Desh

Next News Previous News