ট্রাম্পের হুমকির পর কঠোর বার্তা দিল ইরান
ট্রাম্পের হুমকির পর ‘চূর্ণবিচূর্ণ’ হামলার অঙ্গীকার ইরানের
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কঠোর হুমকির পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বিরুদ্ধে ‘চূর্ণবিচূর্ণ’ হামলা চালানোর অঙ্গীকার করেছে ইরানের সামরিক বাহিনী।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত এক বিবৃতিতে ইরানের সামরিক অপারেশনাল কমান্ড ‘খাতাম আল-আনবিয়া’ জানায়—
“সর্বশক্তিমান আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে এই যুদ্ধ চলবে—আপনাদের অপমান, পরাজয়, স্থায়ী অনুতাপ ও আত্মসমর্পণ না হওয়া পর্যন্ত।”
বিবৃতিতে আরও বলা হয়—
“আরও কঠোর, বিস্তৃত এবং ধ্বংসাত্মক পদক্ষেপের জন্য প্রস্তুত থাকুন।”
⚠️ ট্রাম্পের কঠোর হুঁশিয়ারি
এর আগে ট্রাম্প সতর্ক করে বলেন, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে কোনো সমঝোতা না হলে ইরানকে ‘প্রস্তর যুগে’ ফিরিয়ে দেওয়ার মতো হামলা চালানো হবে।
হোয়াইট হাউসে দেওয়া ভাষণে তিনি দাবি করেন—
- গত চার সপ্তাহে ইরান বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছে
- ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার সক্ষমতা কমে গেছে
🌍 মিত্রদের পাশে যুক্তরাষ্ট্র
ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এখন মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানির ওপর নির্ভরশীল নয়, তবে মিত্রদের সহায়তার জন্য অঞ্চলটিতে অবস্থান করছে।
তিনি সৌদি আরব, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত ও বাহরাইনকে ধন্যবাদ জানান এবং বলেন—
“আমরা তাদের কোনোভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত হতে দেব না।”
তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন, ইরানকে কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে দেওয়া হবে না।
⚔️ অতীত প্রসঙ্গ
- ওবামার করা পারমাণবিক চুক্তি বাতিল
- ২০২০ সালে কাসেম সোলাইমানিকে হত্যার নির্দেশ
🔥 পাল্টা হুঁশিয়ারি ইরানের
অন্যদিকে, ইরান স্পষ্টভাবে জানিয়েছে—যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার জবাবে তারা আরও বড় ও ধ্বংসাত্মক পাল্টা আঘাত হানবে।
🌐 বৈশ্বিক প্রভাব
বিশ্লেষকদের মতে, চলমান এই সংঘাত বিশ্ব জ্বালানি বাজার ও আঞ্চলিক নিরাপত্তায় বড় ধরনের প্রভাব ফেলছে।
