রাত পোহালেই ফ্যামিলি কার্ডের যাত্রা শুরু
ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ শুরু, প্রধানমন্ত্রী ঢাকার কড়াইল থেকে উদ্বোধন করবেন
সরকারের নতুন সামাজিক সহায়তা কর্মসূচি ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের পাইলট কার্যক্রম মঙ্গলবার (১০ মার্চ) থেকে শুরু হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজ নির্বাচনী এলাকা ঢাকা-১৭ থেকে এই কর্মসূচি উদ্বোধন করবেন। মহাখালী টিএন্ডটি মাঠে ঢাকার কড়াইল এলাকার নারীদের হাতে কার্ডগুলো তুলে দেওয়া হবে। একই দিনে সুবিধাভোগী পরিবারগুলো প্রথম মাসের নগদ সহায়তা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে পাবেন।
কর্মসূচি ও সরকারী প্রস্তুতি
অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী চট্টগ্রামে এবং বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির সুনামগঞ্জে কর্মসূচি উদ্বোধনে উপস্থিত থাকবেন।
নির্বাচনি প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে প্রাথমিকভাবে দেশের ১৪টি উপজেলার একটি করে ওয়ার্ডে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে। প্রতিটি পরিবার মাসে আড়াই হাজার টাকা করে নগদ সহায়তা পাবেন। এর জন্য গত ১৯ ফেব্রুয়ারি ১৫ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে, যার সভাপতি হিসেবে দায়িত্বপানো হয়েছে অর্থমন্ত্রীকে।
উদ্বোধন ও বিতরণের স্থান
কয়েক দিন আগে সরকার জানায়, কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন বগুড়ায় হবে। পরে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে ঢাকার কড়াইল এলাকায় উদ্বোধনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
প্রাথমিকভাবে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে রাজধানীর কড়াইল বস্তি, সাততলা বস্তি, ভাসানটেক বস্তি, মিরপুর সার্কেল বা শাহ আলীর ওয়ার্ড-৮, আলিমিয়ার টেক বস্তি (ওয়ার্ড-১৪) এবং বাগানবাড়ি বস্তি এলাকায়।
এছাড়া দেশের অন্যান্য নির্বাচিত এলাকায়ও পাইলট প্রজেক্ট চালু হবে। এই এলাকাগুলো হলো: রাজবাড়ীর পাংশা, চট্টগ্রামের পটিয়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর, বান্দরবানের লামা, খুলনার খালিশপুর, ভোলার চরফ্যাসন, সুনামগঞ্জের দিরাই, কিশোরগঞ্জের ভৈরব, বগুড়া সদর, নাটোরের লালপুর, ঠাকুরগাঁও সদর এবং দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ।
বাংলাদেশে প্রভাব ও প্রতিক্রিয়া
ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি সুবিধাভোগী পরিবারগুলোকে সরাসরি নগদ অর্থ সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে দৈনন্দিন জীবনের চাপ কমাবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি সামাজিক নিরাপত্তা জোরদার করতে এবং দারিদ্র্য হ্রাসে সহায়ক হতে পারে। প্রধানমন্ত্রী ব্যক্তিগতভাবে বিতরণে অংশ নেওয়ায় কর্মসূচির গুরুত্ব ও সরকারি অঙ্গীকার প্রদর্শিত হবে।
সারাদেশে এই প্রাথমিক কার্যক্রমের সাফল্যের ভিত্তিতে ভবিষ্যতে আরও এলাকায় সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।
উপসংহার
ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম দেশের ক্ষুদ্র ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নয়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। সরকারি উদ্যোগের কার্যকারিতা এবং জনগণের প্রতিক্রিয়া আগামী মাসগুলোতে বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করা হবে।
Source: Based on reporting from আরটিভি নিউজ
