প্রধানমন্ত্রীর তহবিলের কাপড় না পেয়ে জামায়াত এমপির আক্ষেপ

প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ না পেয়ে জামায়াত এমপির আক্ষেপ

গাইবান্ধা-৫ আসনের জামায়াতের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল ওয়ারেছ পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে কাপড় বরাদ্দ না পাওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, এই সহায়তা বরাদ্দে রাজনৈতিক বৈষম্য লক্ষ্য করা গেছে।

রাজনৈতিক বৈষম্য নিয়ে অভিযোগ

শনিবার নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত পোস্টে সংসদ সদস্য আব্দুল ওয়ারেছ জানান, দেশের বিভিন্ন নির্বাচনী এলাকায় ঈদ উপলক্ষে অসহায় ও দুস্থ মানুষের জন্য কাপড় বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তবে তা শুধুমাত্র সরকারদলীয় সংসদ সদস্যদের নির্বাচনী এলাকায় সীমাবদ্ধ। বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যদের এলাকায় কোনও বরাদ্দ দেওয়া হয়নি বলে তিনি অভিযোগ করেন।

তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল কোনো দলীয় তহবিল নয়; এটি রাষ্ট্রের একটি মানবিক সহায়তা তহবিল, যা দেশের সকল নাগরিকের কল্যাণে ব্যবহারের জন্য প্রতিষ্ঠিত। সহায়তা প্রদানের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে বৈষম্য সমীচীন নয়।”

রাষ্ট্রের সমান সহায়তার দাবি

আব্দুল ওয়ারেছ আরও উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী সমগ্র বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী এবং দেশের সব জনগণ সমানভাবে রাষ্ট্রের সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার অধিকার রাখে। তাই তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন যে, প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে বরাদ্দ প্রদানের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক বিভাজন পরিহার করে দেশের সব নির্বাচনী এলাকার অসহায় ও দুস্থ মানুষের জন্য সমানভাবে বরাদ্দ নিশ্চিত করা হোক।

বরাদ্দ সংক্রান্ত তথ্য

সংবাদ অনুযায়ী, সংসদ সদস্য আব্দুল ওয়ারেছ পোস্টে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্যাডে প্রকাশিত বরাদ্দ সংক্রান্ত স্ক্রিনশটও সংযুক্ত করেছেন। এতে দেখা যায়, উত্তরাঞ্চলের পাঁচটি জেলার বিভিন্ন সংসদীয় আসনে জনপ্রতিনিধিদের নামে সিনথেটিক শাড়ি ৭০০ পিস, থ্রি-পিস ১০০ পিস এবং হাজী রুমাল ৫০ পিস করে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তবে তার নির্বাচনী এলাকায় এ ধরনের বরাদ্দ না দেওয়ার বিষয়টি তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেছেন।

এ ঘটনা স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে রাজনৈতিক সমতা ও সরকারি তহবিল ব্যবস্থাপনার স্বচ্ছতার প্রশ্ন তুলেছে। নাগরিক ও বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এমন সহায়তার ক্ষেত্রে ন্যায্যতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন যাতে দেশের সব মানুষ সমান সুবিধা পায়।

Source: Based on reporting from আমার দেশ

Next News Previous News