সব ইরানি ড্রোন ঠেকানো সম্ভব না, মার্কিন কর্মকর্তার সরল স্বীকারোক্তি

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ড্রোন হামলা

মার্কিন সামরিক স্থাপনা ও সম্পদ লক্ষ্য করে ইরান যেসব ড্রোন হামলা চালাচ্ছে, সেগুলোর প্রতিটি নিখুঁতভাবে ভূপাতিত করার সক্ষমতা যুক্তরাষ্ট্রের নাও থাকতে পারে। মঙ্গলবার ক্যাপিটল হিলে আইনপ্রণেতাদের সঙ্গে এক বৈঠকে এই আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন দেশটির শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তারা।

ইরানের ‘শাহেদ’ ড্রোন

মার্কিন জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন জানান, ইরান বর্তমানে হাজার হাজার একবার ব্যবহারযোগ্য আত্মঘাতী ড্রোন মোতায়েন করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের অধিকাংশ ড্রোন ধ্বংস করার সক্ষমতা থাকলেও ঝাঁকে ঝাঁকে আসা এসব ড্রোনের সব কটি ঠেকানো হয়তো সম্ভব হবে না।

ইরান যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে তাদের স্বল্পমূল্যের ‘শাহেদ’ ড্রোন ব্যবহার করছে। অত্যন্ত নিচ দিয়ে ও ধীরগতিতে ওড়ার কারণে এসব ড্রোন সাধারণ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ফাঁকি দিতে ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের চেয়ে বেশি কার্যকর বলে মনে করা হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা কৌশল

মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এখন ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত ঠেকানোর চেয়ে উৎক্ষেপণস্থলগুলো ধ্বংস করার দিকে বেশি মনোযোগ দেওয়া হচ্ছে। প্যাট্রিয়ট ও থাড ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রগুলো দ্রুত নিঃশেষ হয়ে যাওয়ায় যুক্তরাষ্ট্র বিকল্প উপায়ে ড্রোন ভূপাতিত করছে।

অস্ত্র মজুদ ও ব্যয়

কংগ্রেসের শীর্ষ ডেমোক্র্যাটরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকাতে গিয়ে মূল্যবান ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদ দ্রুত ফুরিয়ে যাচ্ছে। জেনারেল কেইন ব্যক্তিগতভাবে একমত হলেও প্রকাশ্যে আশ্বস্ত করেছেন, পর্যাপ্ত অস্ত্র মজুদ রয়েছে।

যুদ্ধের খরচ আকাশচুম্বী। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রাথমিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, যুদ্ধের প্রথম কয়েক দিন প্রতিদিন প্রায় ২০০ কোটি ডলার ব্যয় হয়েছে। বর্তমানে এই ব্যয় দিনে ১০০ কোটি ডলারে নেমে এসেছে।

সাবেক প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মন্তব্য

সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রের মজুদ ‘কার্যত সীমাহ

Next Post Previous Post

Advertisement