নতুন ২ প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন

মন্ত্রিপরিষদে সদ্য নিয়োগ পাওয়া দুই প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন চূড়ান্ত করেছে সরকার। সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক অফিস আদেশে তাদের দায়িত্ব নির্ধারণ করা হয়। মঙ্গলবার জারি হওয়া আদেশটি বুধবার প্রকাশিত হয়েছে।

নতুন প্রতিমন্ত্রী দায়িত্ব বণ্টন, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ, রেলপথ মন্ত্রণালয়, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়— এসব খাতে প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

অফিস আদেশে যা বলা হয়েছে

মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব অজিত দেবের সই করা আদেশে উল্লেখ করা হয়, গত ১৭ ফেব্রুয়ারির প্রজ্ঞাপনের আলোকে প্রতিমন্ত্রীদের দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, প্রশাসনিক কার্যক্রমে সমন্বয় বজায় রেখে দ্রুত দপ্তর বণ্টন কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কর্মকর্তাদের দায়িত্ব পালনে স্পষ্টতা আসবে বলে মনে করা হচ্ছে।

কার দায়িত্ব কোন দপ্তর

নতুন দুই প্রতিমন্ত্রীর মধ্যে হাবিবুর রশিদকে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের পাশাপাশি রেলপথ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। দেশের অবকাঠামো উন্নয়ন, সড়ক নিরাপত্তা এবং রেল যোগাযোগ সম্প্রসারণ— এই তিনটি খাত এখন তার তত্ত্বাবধানে থাকবে।

অন্যদিকে, মো. রাজিব আহসানকে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় এবং সেতু বিভাগের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সমুদ্রবন্দর, নৌরুট ব্যবস্থাপনা এবং বড় সেতু প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি তদারকির দায়িত্ব তার ওপর ন্যস্ত হয়েছে।

অবকাঠামো খাতে গুরুত্ব

সড়ক, রেল, নৌ ও সেতু— এই চারটি খাত দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থার মূল ভিত্তি। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অবকাঠামো উন্নয়নে বড় প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে এবং আরও বেশ কয়েকটি প্রকল্প চলমান রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, দায়িত্ব বণ্টনের মাধ্যমে প্রশাসনিক জবাবদিহি ও কাজের গতি বাড়ানো সম্ভব হবে।

পরিবহন খাতের উন্নয়ন সরাসরি অর্থনীতি, ব্যবসা-বাণিজ্য ও আঞ্চলিক সংযোগের সঙ্গে সম্পর্কিত। ফলে নতুন প্রতিমন্ত্রীদের জন্য সময়মতো প্রকল্প বাস্তবায়ন ও সেবার মানোন্নয়ন বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

প্রশাসনিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখার লক্ষ্য

সরকারি কর্মকর্তারা বলছেন, নতুন প্রতিমন্ত্রীদের দায়িত্ব বণ্টনের মাধ্যমে মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমে ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে। বড় অবকাঠামো প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ ও সমন্বয় নিশ্চিত করাই এখন প্রধান লক্ষ্য।

বিশ্লেষকদের মতে, যোগাযোগ খাতে স্বচ্ছতা, নিরাপত্তা ও সেবার মান উন্নয়ন নিশ্চিত করতে কার্যকর নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ। নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রীরা এ খাতে কী ধরনের অগ্রাধিকার দেন, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

Source: Based on reporting from আমার দেশ

Next Post Previous Post