নির্বাচনি হলফনামায় সম্পদের যে বিবরণ দিলেন আখতার

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব আখতার হোসেন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য দাখিল করা নির্বাচনি হলফনামায় মোট সম্পদের পরিমাণ ২৭ লাখ টাকা উল্লেখ করেছেন। নির্বাচনে তার মনোনয়নপত্র রংপুর-৪ (কাউনিয়া-পীরগাছা) আসন থেকে দাখিল করা হয়েছে।

আখতার হোসেনের সম্পদ ও আয়

হলফনামায় আখতার হোসেন নিজেকে পেশায় শিক্ষানবিশ আইনজীবী হিসেবে উল্লেখ করেছেন, এবং তার স্ত্রী সানজিদা আক্তার গৃহিণী। আখতার হোসেনের বার্ষিক আয় মোট ৫ লাখ ৫ হাজার টাকা, যা তিনি কৃষি, ব্যবসা এবং চাকরি থেকে অর্জন করেন।

নগদ হিসাবে আখতার হোসেনের হাতে আছে ১৩ লাখ টাকা, আর তার স্ত্রীর হাতে রয়েছে ৪ লাখ টাকা। ব্যাংকে তাদের জমা আছে ২ লাখ ৯৯ হাজার ৪২৬ টাকা। এছাড়াও, আখতার ও তার স্ত্রীর মোট ১৭ লাখ টাকার গহনা রয়েছে। তার অস্থাবর সম্পদের মূল্য ২৭ লাখ টাকা এবং স্ত্রীর অস্থাবর সম্পদের মূল্য ১৬ লাখ টাকা।

স্থাবর সম্পদের বিবরণ

স্থাবর সম্পদ হিসেবে আখতার হোসেন ১৮ শতাংশ কৃষিজমির মালিক। এই জমির বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ২৩ হাজার টাকা। তবে তার নামে কোনো বাড়ি বা গাড়ি নেই।

স্থানীয় প্রেক্ষাপট

রংপুর-৪ (কাউনিয়া-পীরগাছা) আসনে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা তীব্র বলে মনে করা হচ্ছে। আখতার হোসেনের সম্পদের তথ্য প্রকাশ ভোটারদের কাছে তার আর্থিক স্বচ্ছতা সম্পর্কে ধারণা দিতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলেন, নির্বাচনী হলফনামায় সম্পদের স্বচ্ছতা ভোটারদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হিসেবে কাজ করে এবং স্থানীয় রাজনীতিতে আস্থা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে।

এছাড়াও, তার সম্পদের মধ্যে নগদ ও ব্যাংক জমার পরিমাণ তুলনামূলকভাবে বেশি, যা তার ব্যক্তিগত আর্থিক পরিকল্পনার প্রতিফলন। কৃষিজমি এবং গহনার হিসাবও হলফনামায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যা সম্পদের বৈচিত্র্য দেখায়।

সংক্ষিপ্ত বিশ্লেষণ

আখতার হোসেনের হলফনামা অনুযায়ী, তার সম্পদ সীমিত হলেও স্বচ্ছ। নগদ, ব্যাংক জমা এবং গহনার আকারে তার আর্থিক সক্ষমতা বোঝা যায়। রংপুর-৪ আসনে নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রার্থীদের মধ্যে এ ধরনের সম্পদ ঘোষণা স্থানীয় রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে স্বচ্ছতার দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ বিবেচিত হচ্ছে।

Source: Based on reporting from Dhaka Post

Next Post Previous Post

Advertisement