গাজায় ‘শান্তি পর্ষদে’ যোগ দিতে এরদোগানকে আমন্ত্রণ ট্রাম্পের
ওয়াশিংটন — সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজা পুনর্গঠন এবং শান্তি প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের জন্য তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোগানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। ট্রাম্পের ঘোষণায় বলা হয়েছে, গঠিত ‘শান্তি পর্ষদে’ বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি এবং আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা অংশ নেবেন।
শান্তি পর্ষদের উদ্দেশ্য
ট্রাম্পের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ‘শান্তি পর্ষদ’ গাজা অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করবে। বোর্ডের মাধ্যমে পুনর্গঠন, প্রশাসনিক কার্যক্রম এবং মানবিক সহায়তার সমন্বয় করা হবে। তবে এই পর্ষদের সদস্য তালিকায় মুসলিম দেশগুলোর উপস্থিতি সীমিত থাকায় আন্তর্জাতিক সমালোচনার মুখোমুখি হয়েছে।
এরদোগানের ভূমিকা
তুরস্ক মধ্যপ্রাচ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ শক্তি। এরদোগানকে আমন্ত্রণ জানানোর মাধ্যমে ট্রাম্প আশা করছেন, তুরস্কের মধ্যস্থতায় গাজায় সমাধান ও আঞ্চলিক স্বীকৃতি বাড়ানো সম্ভব হবে। তুরস্ক ইতিমধ্যেই ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি সমর্থন জানিয়ে আসছে, তাই এরদোগানের উপস্থিতি বোর্ডের বৈধতা এবং কার্যকারিতা বাড়াতে সহায়ক হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
আঞ্চলিক প্রতিক্রিয়া
মধ্যপ্রাচ্যের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তুরস্কের অংশগ্রহণ ছাড়া গাজায় স্থায়ী সমাধান আনতে বোর্ডের কার্যকারিতা সীমিত হতে পারে। বিশেষ করে ইসরায়েল এবং ফিলিস্তিনি নেতৃত্বের সঙ্গে সমন্বয়, মানবিক সহায়তা ও পুনর্গঠন কার্যক্রমে তুরস্কের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হবে।
বিশ্লেষক মতামত
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ট্রাম্পের এই পদক্ষেপ কূটনৈতিক কৌশল হিসেবে বোঝা যায়। এটি আন্তর্জাতিক মনোযোগ আকর্ষণ এবং বিভিন্ন পক্ষকে আলোচনার টেবিলে বসানোর প্রচেষ্টা। তবে বোর্ডের বাস্তব কার্যকারিতা নির্ভর করছে রাজনৈতিক সমঝোতা এবং আঞ্চলিক স্বার্থের সমন্বয়ের ওপর।
উপসংহার
গাজায় ‘শান্তি পর্ষদে’ যোগ দিতে এরদোগানকে আমন্ত্রণ ট্রাম্পের উদ্যোগ আন্তর্জাতিক কূটনীতি এবং মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বোর্ডের কার্যকারিতা এবং অংশগ্রহণকারীদের সমন্বয় আগামী দিনে গাজার শান্তি প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করবে।
