ভোটকেন্দ্রে ভোটার আনাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ: সিইস

নির্বাচনের প্রতি মানুষের আস্থা কমে গেছে—এমন বাস্তবতায় আগামী নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি নিশ্চিত করাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি)। তাঁর ভাষায়, “নির্বাচন কমিশন কোনো রাজনৈতিক পক্ষের পক্ষে বা বিপক্ষে কাজ করবে না, বরং দেশের ১৮ কোটি মানুষের স্বার্থে কাজ করবে।”

রংপুর আঞ্চলিক নির্বাচন অফিসে জাতীয় সংসদ নির্বাচন সংক্রান্ত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিইসি জানান, গত জাতীয় নির্বাচনে দায়িত্বে অবহেলা করা ও সমস্যা সৃষ্টিকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়ানোর প্রবণতা বেড়েছে, যা মোকাবেলায় কমিশন সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। নাগরিকদের উদ্দেশে তাঁর ভাষায়, “ভোট দেওয়া শুধু নাগরিক দায়িত্ব নয়, এটি ঈমানের দায়িত্বও।”

সিইসি জানান, এখনই নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হবে না, তবে ঘোষণার প্রায় দুমাস আগে তারিখ জানানো হবে। স্বল্প সময়ের মধ্যে নির্বাচন সফলভাবে আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে। মানুষের আস্থা ফেরানো ও সব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে দ্রুত সময়ের মধ্যে নির্বাচন আয়োজনের প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

সভা শেষে সিইসি নির্বাচন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং পরে বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। তাঁর ভাষায়, “আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন স্বচ্ছ ও সুন্দরভাবে পরিচালনার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হবে।”


প্রশ্ন: আপনার মতে, মানুষের ভোটকেন্দ্রে আগ্রহ ফিরিয়ে আনতে সবচেয়ে কার্যকর উপায় কী হতে পারে?

Next News Previous News