মুরাদনগরে ‘মাফিয়াতন্ত্র’ অভিযোগে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নেতার ক্ষোভ

কুমিল্লার মুরাদনগরে ‘মাফিয়াতন্ত্র’ কায়েমের অভিযোগ তুলেছেন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক। তাঁর ভাষায়, “যারা জুলাই ও আগস্টে ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনে অংশ নিয়েছে, ১৭ বছরে জেল খেটেছে, এমনকি ৫ আগস্টের পরও, তাদের জেলে পাঠানো হয়েছে। কিন্তু আওয়ামী লীগের কোনো নেতাকর্মী জেলে নেই।”

তিনি জানান, কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি মুরাদনগর উপজেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়কসহ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের মোট ১৩ জন নেতাকর্মীর সঙ্গে দেখা করতে এসে এই অভিযোগ করেন। নেতার দাবি—সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়কের গ্রেপ্তারের খবরে তাঁর মা হার্ট অ্যাটাকে মারা যান, যা অত্যন্ত বেদনাদায়ক।

অভিযোগ করে তিনি বলেন, “উপদেষ্টা নিজের পছন্দমতো মুরাদনগর পরিচালনা করছেন। সেখানে ইতিবাচক রাজনীতি নেই। যারা ফ্যাসিবাদ কায়েম করেছে, তারা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে, ব্যবসা করছে।” তিনি প্রশ্ন তোলেন, এমন অবস্থায় উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হয়ে কেউ কীভাবে নির্বাচনে অংশ নেবে এবং সরকার কীভাবে নিরপেক্ষ থাকবে।

স্থানীয় প্রশাসনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি জানান, উপদেষ্টার প্রভাবে থানার ওসি ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে মামলা দিচ্ছেন। এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার দৃষ্টি আকর্ষণ করে ওসিকে প্রত্যাহারের দাবি জানান তিনি।

এ সময় কুমিল্লা মহানগর বিএনপি ও ছাত্রদলের বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। কারাগারে সাক্ষাৎ শেষে ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাজিম মাহমুদের মায়ের কবর জিয়ারত ও পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন।


প্রশ্ন থেকে যায়—এ অভিযোগের প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা অভিযুক্ত পক্ষ কী অবস্থান নেবে? স্থানীয় রাজনীতির এই দ্বন্দ্ব কি আরও তীব্র হবে?

মুরাদনগরে ‘মাফিয়াতন্ত্র’ অভিযোগে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নেতার ক্ষোভ

কুমিল্লার মুরাদনগরে ‘মাফিয়াতন্ত্র’ কায়েমের অভিযোগ তুলেছেন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক। তাঁর ভাষায়, “যারা জুলাই ও আগস্টে ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনে অংশ নিয়েছে, ১৭ বছরে জেল খেটেছে, এমনকি ৫ আগস্টের পরও, তাদের জেলে পাঠানো হয়েছে। কিন্তু আওয়ামী লীগের কোনো নেতাকর্মী জেলে নেই।”

তিনি জানান, কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি মুরাদনগর উপজেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়কসহ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের মোট ১৩ জন নেতাকর্মীর সঙ্গে দেখা করতে এসে এই অভিযোগ করেন। নেতার দাবি—সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়কের গ্রেপ্তারের খবরে তাঁর মা হার্ট অ্যাটাকে মারা যান, যা অত্যন্ত বেদনাদায়ক।

অভিযোগ করে তিনি বলেন, “উপদেষ্টা নিজের পছন্দমতো মুরাদনগর পরিচালনা করছেন। সেখানে ইতিবাচক রাজনীতি নেই। যারা ফ্যাসিবাদ কায়েম করেছে, তারা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে, ব্যবসা করছে।” তিনি প্রশ্ন তোলেন, এমন অবস্থায় উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হয়ে কেউ কীভাবে নির্বাচনে অংশ নেবে এবং সরকার কীভাবে নিরপেক্ষ থাকবে।

স্থানীয় প্রশাসনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি জানান, উপদেষ্টার প্রভাবে থানার ওসি ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে মামলা দিচ্ছেন। এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার দৃষ্টি আকর্ষণ করে ওসিকে প্রত্যাহারের দাবি জানান তিনি।

এ সময় কুমিল্লা মহানগর বিএনপি ও ছাত্রদলের বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। কারাগারে সাক্ষাৎ শেষে ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাজিম মাহমুদের মায়ের কবর জিয়ারত ও পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন।


প্রশ্ন থেকে যায়—এ অভিযোগের প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা অভিযুক্ত পক্ষ কী অবস্থান নেবে? স্থানীয় রাজনীতির এই দ্বন্দ্ব কি আরও তীব্র হবে?

Next News Previous News