কাকরাইলে গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মী নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নতুন তথ্য
ঢাকা কাকরাইল এলাকায় গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মী নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নতুন তথ্য প্রকাশ করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ। ডিএমপি ডিবি প্রধান শফিকুল ইসলাম নিশ্চিত করেছেন, হামলাকারী মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নন।
ঘটনার প্রেক্ষাপট অনুযায়ী, শুক্রবার রাত ১১টা ২০ মিনিটের দিকে গুরুতর আহত অবস্থায় নুরকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা. মোস্তাক আহমেদ জানান, নুরের মাথায় আঘাতের কারণে রক্তক্ষরণ হয়েছে, নাক ও ডান চোয়ালের হাড় ভেঙে গেছে। বর্তমানে তিনি নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন।
ডা. মোস্তাক আরও জানান, “মাথার সিটিস্ক্যান রিপোর্টে রক্তক্ষরণের পাশাপাশি সামান্য ফোলা দেখা গেছে। চোখ ও মুখ ফুলে গেছে, ডান চোখে রক্ত জমাট বেঁধেছে। তবে শরীরের অন্য কোথাও গুরুতর আঘাত নেই।”
নিউরোসার্জারি বিভাগের চিকিৎসক ডা. জাহিদ রায়হান বলেন, “নুর এখনো শঙ্কামুক্ত নন। মাথার ভেতরে পানি জমাট বাঁধলেও আপাতত অপারেশনের প্রয়োজন নেই।” নাক-কান-গলা, চক্ষু, নিউরোসার্জারি ও ক্যাজুয়েলটি বিভাগের চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ড তার চিকিৎসা পর্যবেক্ষণ করছে।
বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, নুর বর্তমানে অক্সিজেন সম্বলিত বেডে ভর্তি আছেন এবং গুরুতর আহত। পরিবার দেশবাসীর কাছে তার সুস্থতার জন্য দোয়া চেয়েছেন।
এ ঘটনার প্রেক্ষিতে নাগরিকদের মধ্যে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। প্রশ্ন হচ্ছে, এমন সহিংস ঘটনায় নিরাপত্তা এবং রাজনৈতিক সহমর্মিতার বিষয়গুলো কীভাবে আরও দৃঢ়ভাবে নিশ্চিত করা যায়?
