জম্মু কাশ্মিরে বৃষ্টি-ভূমিধসে ১০ জনের মৃত্যু
টানা ভারী বৃষ্টি ও ভূমিধসে বিপর্যস্ত হয়ে উঠেছে ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু ও কাশ্মির। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, অন্তত ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে বৈষ্ণ দেবী মন্দিরে যাওয়ার পথে ছয়জন প্রাণ হারান।
স্থানীয় প্রশাসনের বরাতে জানা গেছে, মঙ্গলবার দোদা বিভাগে আকস্মিকভাবে ভূমিধস নামলে বেশ কয়েকটি ঘরবাড়ি ধসে পড়ে। একটি বাড়ির ছাদ ভেঙে পড়ে দুইজনের মৃত্যু হয়। আরও দুজন প্রাণ হারান আকস্মিক বন্যায়। এ ছাড়াও এক এলাকায় মেঘ বিস্ফোরণের ঘটনাও ঘটেছে বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।
মন্দির কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে—“ভূমিধসের ঘটনায় কয়েকজন আহত হয়েছেন, তাদের উদ্ধারে দ্রুত তৎপরতা চালানো হচ্ছে।” এ পরিস্থিতিতে বৈষ্ণ দেবী মন্দিরের তীর্থযাত্রা আপাতত স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে।
অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি ও সতর্কতা
জাতীয় মহাসড়ক-২৪৪ এর একটি বড় অংশ ধসে গেছে এবং সড়কে বড় পাথর পড়ে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে। প্রশাসন সাধারণ মানুষকে নদীর তীর থেকে দূরে থাকতে নির্দেশ দিয়েছে এবং বন্যাপ্রবণ এলাকাগুলোতে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে।
প্রশাসনের প্রতিক্রিয়া
জম্মু-কাশ্মিরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আব্দুল্লাহ জানিয়েছেন, “জম্মুর পরিস্থিতি অত্যন্ত গুরুতর। আমি শ্রীনগর থেকে দ্রুত বিমানে করে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যাচ্ছি।” ইতোমধ্যেই তাওয়াই ও রবি নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে বইছে এবং নিম্নাঞ্চলগুলো বন্যায় প্লাবিত হয়ে পড়েছে।
প্রশ্ন রয়ে গেল—বৃষ্টি ও ভূমিধসে প্রাণহানির এই ধারাবাহিকতা থামাতে স্থানীয় প্রশাসন কতটা কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারবে? এবং পাহাড়ি অঞ্চলে বসবাসকারীদের জন্য আরও কী ধরনের আগাম সতর্কতা ব্যবস্থা প্রয়োজন বলে আপনি মনে করেন?
