সাবেক প্রধান বিচারপতির গ্রেপ্তার নিয়ে খোলা চিঠি, বিচারিক সংস্কৃতিতে ‘অশনি সংকেত
সাবেক প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হকের গ্রেপ্তারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রকাশ্যে প্রতিবাদ জানিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও একজন বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক। তারা বর্তমান প্রধান বিচারপতিকে উদ্দেশ্য করে এক খোলা চিঠিতে এই গ্রেপ্তারকে দেশের বিচারিক সংস্কৃতির জন্য ‘অশনি সংকেত ও কলঙ্কের তিলক’ বলে উল্লেখ করেছেন।
চিঠির প্রেরকরা — একজন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এবং একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক — অভিযোগ করেছেন, খায়রুল হককে একটি “মিথ্যা ও অবিশ্বাস্য ফৌজদারি মামলায়” গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যা সাংবিধানিক ও ফৌজদারি আইনের মানদণ্ডে গ্রহণযোগ্য নয়। তাঁদের ভাষায়, “সহ-বিচারকদের সহযোগে শুদ্ধ রায় দেওয়ার কারণে বা অর্ধসত্য-অসত্য মিশিয়ে মামলা দিয়ে কেন তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তা আমাদের কাছে বোধগম্য নয়।”
তারা আরও উল্লেখ করেন, সাংবিধানিক মামলায় বিচারিক মতামতের বিরোধিতা এবং সাম্প্রতিক কিছু ঘটনাকে কেন্দ্র করে এক ধরনের “অযাচিত মামলা দায়েরের অসুস্থ ধারা” অনুসরণ করা হচ্ছে। তাদের দাবি, বিচারকদের সুরক্ষার জন্য বিদ্যমান আইন ও প্রথা স্পষ্টভাবে লঙ্ঘন করে এ গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
চিঠিতে প্রধান বিচারপতির প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলা হয়েছে, “আপনি অন্তত বিচারপতি খায়রুল হকের জামিনের পথে থাকা অদৃশ্য বাধাগুলো দূর করুন এবং তার পক্ষে যোগ্য আইনি লড়াইয়ের সুযোগ করে দিন।”
সর্বশেষ আপডেট: এ ঘটনাকে ঘিরে আইনজীবী মহলে আলোচনা-সমালোচনা অব্যাহত রয়েছে। কিছু সিনিয়র আইনজ্ঞ সতর্ক করে বলেছেন, যদি এই ধরনের নজির তৈরি হয়, তবে তা ভবিষ্যতে বিচার বিভাগকে স্বাধীনভাবে কাজ করতে নিরুৎসাহিত করতে পারে।
আপনার কী মনে হয় — বিচারপতি বা সাবেক বিচারপতিদের বিরুদ্ধে এই ধরনের মামলার প্রক্রিয়া কি আরও স্বচ্ছ ও আইনি সুরক্ষিত হওয়া উচিত?
