শিক্ষার্থীদের পেশাগত দাবির যৌক্তিকতা মূল্যায়নের জন্য গঠিত উচ্চ পর্যায়ের কমিটি
চলমান শিক্ষার্থী আন্দোলনের প্রেক্ষিতে সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, প্রকৌশল পেশায় বিএসসি ডিগ্রিধারী ও ডিপ্লোমাধারীদের পেশাগত দাবির যৌক্তিকতা পরীক্ষা-নিরীক্ষাপূর্বক সুপারিশ প্রণয়নের জন্য একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন করার। বুধবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই তথ্য জানানো হয়।
কমিটির সভাপতি নিযুক্ত হয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান। কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন:
- শিল্প মন্ত্রণালয় এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান
- শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার
- পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান
- ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ সভাপতি, প্রকৌশলী মোহাম্মদ রেজাউল ইসলাম
- ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ সভাপতি, প্রকৌশলী মো. কবির হোসেন
- বোর্ড অব অ্যাক্রেডিটেশন ফর ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনিক্যাল এডুকেশন, বাংলাদেশ চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী তানভির মঞ্জুর
- জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (সওব্য) কাজী মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক
কমিটির মূল দায়িত্ব হলো, সংশ্লিষ্ট পেশাগত দাবির যৌক্তিকতা যাচাই করে সরকারের নিকট সুপারিশসহ প্রতিবেদন প্রণয়ন করা। কমিটি এক মাসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেবে। প্রয়োজনে নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্তি (কো-অপ্ট) করা যাবে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এই কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা প্রদান করবে।
তাঁর ভাষায়, ‘কমিটি প্রয়োজনবোধে নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্ত করতে পারবে এবং সরকারি সহায়তা পাবেন।’
রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনটিতে স্বাক্ষর করেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (কমিটি ও অর্থনৈতিক) মো. হুমায়ুন কবির।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে, এই কমিটির সুপারিশ বাস্তবায়িত হলে শিক্ষার্থী ও ডিপ্লোমাধারীদের পেশাগত ভবিষ্যতে কতটা প্রভাব পড়বে? দর্শক, আপনার মনে কি হয় এই পদক্ষেপ শিক্ষার্থীদের দাবির সঙ্গে যথাযথ সঙ্গতিপূর্ণ হবে?
