ইউক্রেন যুদ্ধ না থামালে রাশিয়াকে কঠোর পরিণতির হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের
সাম্প্রতিক এক বিবৃতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, যদি ইউক্রেনের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধ বন্ধ না হয় তবে রাশিয়াকে “খুব কঠোর” পরিণতি ভোগ করতে হবে; তিনি সম্ভাব্য পদক্ষেপ হিসেবে শুল্ক আরোপ থেকে শুরু করে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার কথা উল্লেখ করেছেন। এই মন্তব্যটি আলাস্কার আঙ্কোরেজে আগামী বৈঠকের ঠিক আগে আসে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার প্রতিনিধিরা আলোচনার জন্য বসবেন। 0
“তাঁর ভাষায়, ‘যদি যুদ্ধ বন্ধ না করা যায়, রাশিয়াকে খুবই কঠোর পরিণতি ভোগ করতে হবে’”
উল্লেখ্য, প্রথম ধাপে যদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয় তাহলে দ্বিতীয় ধাপে ইউক্রেনও আলোচনায় উপস্থিত থাকতে পারে—এমন ইঙ্গিতও দেওয়া হয়েছে। তবে শুরুর পর্যায়ে রাশিয়ার প্রতিক্রিয়া ও সম্মতি না মিললে দ্বিতীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত নাও হতে পারে। 1
ইউরোপীয় নেতারা—ফরাসি ও জার্মান শীর্ষস্থাদের সঙ্গে এক ভার্চুয়াল বৈঠকে—মার্কিন অবস্থানকে স্বাগত জানিয়েছেন, একই সঙ্গে জোর দিয়ে বলা হয়েছে যে কোনো ভূ-খণ্ডগত বিনিময় কেবল ইউক্রেনের সঙ্গে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমেই হতে পারে। ইউরোপীয় নেতারা চূড়ান্তরূপে ইউক্রেনের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করায় জোর দিয়েছেন। 2
বৈঠকটি এখনি নির্ধারিত স্থান—জয়েন্ট বেস এলমেনডর্ফ-রিচার্ডসেন (আংকরেজে)—এ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে; এটি শীতল যুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত-যুগের জন্য একটি কৌশলগত ঘাঁটি ছিল। বৈঠকের আগে আমেরিকার একটি শীর্ষ পর্যায়ের মুখোমণ্ডলী প্রেসকনফারেন্সে এই হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। 3
উল্লেখ্য, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট পূর্বে মন্তব্য করেছেন যে রাশিয়া কথায়ই নয় বাস্তবে মিত্রতা দেখালে তা মূল্যায়ন করা হবে; একই সঙ্গে কিছু ইউরোপীয় নেতারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে একতরফা ছাড়-চুক্তি ইউক্রেনের ক্ষতি করতে পারে। বৈঠক নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নজর কাড়া উত্তেজনা বাড়ছে। 4
সূত্র: AP, Reuters, The Guardian, Al Jazeera, RFE/RL।যদি আলোচনায় রাশিয়া যুদ্ধবিরতি ঘোষণা না করে, তবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপ এক যৌথ কৌশল নিয়ে অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক চাপ বাড়াতে পারে—যার ফলে বিশ্ব বাজার, জ্বালানি সেক্টর এবং অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতি ওঠানামা করতে পারে। অন্যদিকে, সংলাপে স্তব্ধতা বা পিছিয়ে পড়লে কূটনৈতিক চাপের বদলে সামরিকভাবে উত্তেজনা দীর্ঘায়িত হওয়ারও আশঙ্কা রয়েছে। 5
