রমনা থানার ককটেল বিস্ফোরণ মামলায় বিএনপি নেতা-নেত্রীদের অব্যাহত

রাজধানীর রমনা মডেল থানায় ককটেল বিস্ফোরণের মামলায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর ৬৫ জনকে অব্যাহতি দিয়েছেন আদালত। ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. জাকির হোসেন গালিবের আদালত তদন্ত সংস্থার চূড়ান্ত প্রতিবেদন গ্রহণের পর এই আদেশ দেন।

অব্যাহতি পাওয়া উল্লেখযোগ্য নেতাদের মধ্যে রয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, বরকত উল্লাহ বুলু, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলতাফ হোসেন চৌধুরী, যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদীন ফারুক, বিএনপি নেতা ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন এবং আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার নাসির উদ্দিন প্রমুখ।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছিল, ২০২৩ সালের ২৮ অক্টোবর রাজধানীতে বিএনপির পূর্বঘোষিত মহাসমাবেশের সময় রমনা থানার এলাকায় দলীয় নেতাকর্মীরা যানবাহনে ক্ষতিসাধন ও পুলিশের কাজে বাধা প্রদান করেছিলেন। একই বছরের ৩১ অক্টোবর রমনা থানার এসআই আউয়াল একটি মামলায় মির্জা ফখরুলসহ ৫৫ জনের নাম উল্লেখ করেন।

২০২৪ সালের ২১ অক্টোবর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক মামুন হাসান আদালতে পৃথক দুটি চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। প্রতিবেদনে মির্জা ফখরুলসহ ৬৫ জনকে অব্যাহতির আবেদন করা হয়। পরবর্তী সময়ে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত তাদের অব্যাহতি মঞ্জুর করেন এবং বিস্ফোরণ আইনের চূড়ান্ত প্রতিবেদন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে স্থানান্তর করা হয়।

তথ্য বিশ্লেষকরা বলছেন, “এই পদক্ষেপ থেকে স্পষ্ট যে, মামলার তদন্ত সংস্থার চূড়ান্ত প্রতিবেদন ও আদালতের পর্যবেক্ষণ অনেক ক্ষেত্রে নিরপেক্ষ ও প্রমাণভিত্তিক।”

এই ঘটনার প্রেক্ষিতে প্রশ্ন করা যায়, ভবিষ্যতে রাজনৈতিক সমাবেশ ও নিরাপত্তার মধ্যে ভারসাম্য কিভাবে রক্ষা করা সম্ভব হবে? আপনার কী মতামত?

Next News Previous News