ভারত-পাকিস্তানের সংঘাতের সম্ভাবনায় সজাগ ভারতের সেনাপ্রধান

ভারত-পাকিস্তানের সংঘাতের সম্ভাবনায় সজাগ ভারতের সেনাপ্রধান

সম্প্রতি পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের হুঙ্কারের পর ভারতীয় সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী এক শক্তিশালী সতর্কবার্তা দিয়েছেন। তিনি বলছেন, পরবর্তী সশস্ত্র সংঘাত হয়তো ধারণার চেয়েও শিগগিরই শুরু হতে পারে এবং এই যুদ্ধে সফল হতে হলে শুধুমাত্র সেনাবাহিনী নয়, বেসামরিক নাগরিক ও প্রতিষ্ঠানকেও সম্মিলিতভাবে প্রস্তুত থাকতে হবে।

ভারতের শীর্ষ সেনা কর্মকর্তা গত ৪ আগস্ট আইআইটি মাদ্রাজে এক বক্তব্যে জানান, “যুদ্ধ শিগগিরই হতে পারে। সে অনুযায়ী আমাদের প্রস্তুত হতে হবে। এবার এই লড়াই আমাদের সবাইকে মিলে একসঙ্গে লড়তে হবে।” সেনাবাহিনীর জনসংযোগ দপ্তর তার বক্তব্যের একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে, যেখানে তিনি ভবিষ্যতের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেনা, বিজ্ঞানী, শিল্পখাত, শিক্ষাঙ্গন ও নাগরিকদের সমন্বিত কার্যক্রমের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন।

জেনারেল দ্বিবেদী সতর্ক করে বলেছেন, আগামী সংঘাতে শত্রুপক্ষ হয়তো একা নয়, বরং অন্য কোনো দেশের সহায়তাও পেতে পারে। তিনি ‘অপারেশন সিঁদুর’–এর উদাহরণ দিয়ে বলেন, “এটি ছিল অনেকটা দাবা খেলার মতো, যেখানে শত্রুপক্ষের পরবর্তী পদক্ষেপ অনুমান করা কঠিন ছিল।” একই সঙ্গে ক্রিকেটের উদাহরণ দিয়ে তিনি যোগ করেন, “যদিও টেস্ট ম্যাচ চতুর্থ দিনে থেমে গিয়েছিল, তবে সংঘাত আরও অনেক দিন চলতে পারত।”

সেনাপ্রধান আরও বলেন, “এই অভিজ্ঞতা দেখিয়েছে যে, রাজনৈতিক আস্থা, স্পষ্ট নির্দেশনা এবং সমন্বিত জাতীয় প্রস্তুতি থাকলে ভারত যে কোনো বড় সংঘাত মোকাবিলায় সক্ষম।”

সম্প্রতি ভারতের এই সজাগবার্তা এমন এক সময়ে এসেছে যখন দক্ষিণ এশিয়ার নিরাপত্তা পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সাধারণ নাগরিকেরও সচেতনতা ও প্রস্তুতি জরুরি যাতে যেকোনো সংকট মোকাবিলায় জাতীয় ঐক্য দৃঢ় হয়।

আপনার মতে, এই ধরনের সামরিক উত্তেজনায় সাধারণ মানুষের কি ভূমিকা থাকা উচিত? জাতীয় নিরাপত্তা ও সামাজিক একতা বজায় রাখতে আমরা কীভাবে প্রস্তুত হতে পারি? আপনার মতামত আমাদের জানাতে ভুলবেন না।

Next News Previous News