নির্বাচন কমিশনে মারামারি: রুমিন ফারহানার ক্ষোভ

রাজনীতির অন্তর্দ্বন্দ্ব আবারও প্রকাশ পেয়েছে নির্বাচনী মাঠে। বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা রোববার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে এসে তার ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন,

“১৫ বছর যে বিএনপির জন্য লড়াই করলাম, তারাই এখন আমাকে ধাক্কা দেয়। ঠিক আছে, ধাক্কা বদলে তো ধাক্কা আসবেই।”

রুমিন ফারহানা ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের প্রসঙ্গে বলেন,

“যিনি আছেন তিনি পিটিয়ে পিটিয়ে মানুষের শিকারোক্তি নিয়েছেন। নির্বাচন কমিশনে আমরা উপস্থাপন করেছি। জনসংখ্যার বিবেচনায় কমিশনের সিদ্ধান্ত সঠিক। আশা করেছিলাম, প্রার্থী গুন্ডা-পান্ডা নিয়ে ইসিতে প্রবেশ করবেন না। কিন্তু তারা তা করেছেন। এতে কমিশনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে।”

এনসিপি কর্মীদের সঙ্গে ঘটে যাওয়া হাতাহাতির বিষয়ে তিনি জানান,

“উনি পরিচিত মুখ নয়। তবে উনার লোকজন প্রথম আমাকে ধাক্কা দিয়েছে। আমার লোকজন বসে থাকবে না, কারণ আমি একজন নারী। আমার লোকজন জবাব দিয়েছে।”

তিনি আরও উল্লেখ করেন,

“আমরা সবসময় বলেছি ২০০৮ সালের আগের সীমানায় ফিরে যেতে চাই। মাঝখানে ১৫ বছর একটি ফ্যাসিস্ট সরকার ছিল, যারা তাদের সুবিধামতো সীমানা নির্ধারণ করেছে। আমরা সেই সীমানা মানি না। খালেদা জিয়ার ইচ্ছা অনুযায়ী ২০০৮-এর আগে যে সীমানা ছিল, সেখানে যাওয়া হোক।”

রুমিন ফারহানা বলেন,

“অত্যন্ত দুঃখজনক ব্যাপার হলো এখানে একটি মারামারি হয়েছে। আমি একজন আইনজীবী, তাই আমার কেস নিজেই উপস্থাপন করেছি।”

রাজনীতির এই টানাপোড়েন ও কমিশনের সীমানা নির্ধারণ নিয়ে বিতর্ক এখনও সমাধান হয়নি। প্রশ্ন হলো, রাজনৈতিক দলের ভিতরের সংঘাত কি নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশকে প্রভাবিত করবে? নাগরিকদের দৃষ্টিকোণ থেকে এই পরিস্থিতি কেমন প্রভাব ফেলতে পারে?

Next News Previous News