গোবিন্দগঞ্জে গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার, এলাকায় উত্তেজনা
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার নাকাই ইউনিয়নের শীতল গ্রামে গলাকাটা অবস্থায় এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। স্থানীয়রা ভোরে বিলের ধারে মরদেহটি দেখতে পান এবং খবর দেন থানা পুলিশকে।
নিহত ব্যক্তির পরিচয় নিশ্চিত করেছে পরিবার। তিনি ছিলেন স্থানীয় একটি রাজনৈতিক অঙ্গসংগঠনের দায়িত্বশীল ব্যক্তি এবং পাশাপাশি বাজারে মনোহারি দোকান ও বিকাশ ব্যবসা পরিচালনা করতেন। পরিবার জানিয়েছে, প্রায়ই তিনি দোকানেই রাত কাটাতেন।
নিহতের ভাইয়ের ভাষায়, “আমার ভাই বিকাশের ব্যবসা করতেন। সম্প্রতি কিছু অনলাইন জুয়ারু ও হ্যাকাররা তাঁকে বিভিন্নভাবে হুমকি দিচ্ছিল। আমার ধারণা, এরই জের ধরে তাকে হত্যা করা হয়েছে।”
এদিকে সংগঠনের স্থানীয় নেতারা জানিয়েছেন, নিহত ব্যক্তি ছিলেন একজন নিবেদিত কর্মী। তাঁদের ভাষায়, “এ হত্যাকাণ্ডের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং অবিলম্বে হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবি করছি।”
পুলিশ জানিয়েছে, মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য গাইবান্ধা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত চলছে এবং হত্যাকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার আশ্বাস দিয়েছেন গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা।
সাম্প্রতিক আপডেট
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এলাকায় অনলাইন জুয়ার কার্যক্রম ও আর্থিক প্রতারণা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে উত্তেজনা বিরাজ করছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট নজরদারি বাড়িয়েছে।
প্রশ্ন রইল: অনলাইন জুয়া ও আর্থিক প্রতারণার কারণে যদি এমন ভয়াবহ হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকে, তবে এসব অপরাধ দমনে স্থানীয় সমাজ ও প্রশাসন কতটা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারছে বলে আপনি মনে করেন?
