গাজা অভিযান নিয়ে ট্রাম্পের মন্তব্য: ‘গণহত্যা নয়, এটি যুদ্ধ’

গাজায় ইসরাইলি অভিযানের বিষয়ে তীব্র আন্তর্জাতিক সমালোচনার মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন—তিনি একে গণহত্যা হিসেবে দেখছেন না। তাঁর ভাষায়, “আমি মনে করি না এটি গণহত্যা, এটি যুদ্ধ।”

রবিবার পেনসিলভানিয়ার অ্যালেনটাউনে লেহাই ভ্যালি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, ৭ অক্টোবর ২০২৩-এ হামাসের আক্রমণের পরই যুদ্ধ শুরু হয়। তাঁর ভাষায়, “এটা ছিল ভয়াবহ, ভয়াবহ ঘটনা—আমার দেখা সবচেয়ে ভয়াবহ ঘটনাগুলোর একটি।”

ইসরাইলও এর আগে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে দাবি করেছে, তারা বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্যবস্তু করে না এবং ২২ মাসের অভিযানে মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া ও ত্রাণ পৌঁছানোর চেষ্টা চালিয়েছে।

দ্য টাইমস অব ইসরাইল-এর তথ্যমতে, ২০২৩ সালের ওই হামলায় প্রায় ১,২০০ জন নিহত এবং ২৫১ জনকে জিম্মি করা হয়। বর্তমানে গাজায় এখনও ৫০ জন জিম্মি রয়েছেন, যাদের মধ্যে ২০ জন জীবিত বলে ধারণা করা হচ্ছে।

গাজা পরিস্থিতি নিয়ে আরও জানতে চাইলে ট্রাম্প জানান, যুক্তরাষ্ট্র ফিলিস্তিনিদের খাদ্য সহায়তা দিতে কাজ করছে। তাঁর ভাষায়, “আমরা চাই জনগণ যেন খাবার পায়। আমরাই একমাত্র দেশ যারা সত্যিই এটা করছে… মার্কিন দূত স্টিভ উইটকফ দারুণ কাজ করছেন।”

তিনি আরও বলেন, ওয়াশিংটন বড় অঙ্কের অনুদান দিচ্ছে, যা মূলত খাদ্য কেনার জন্য ব্যবহার হচ্ছে। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে বহু দেশ গাজায় খাদ্য সহায়তা বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে।

অন্যদিকে, ইসরাইল উপত্যকায় দুর্ভিক্ষের খবর অস্বীকার করে বলেছে, হামাস ত্রাণ সরবরাহে বাধা দিচ্ছে এবং তা ছিনতাই করছে।


প্রশ্ন রইল: গাজার মানবিক সংকটের সমাধান কি শুধুই ত্রাণে সম্ভব, নাকি প্রয়োজন আরও বড় ধরনের কূটনৈতিক উদ্যোগ?

Next News Previous News