আগামী নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা বড় চ্যালেঞ্জ: প্রধান নির্বাচন কমিশনার

প্রধান নির্বাচন কমিশনারের মতে, দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে আগামী নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা হবে একটি বড় চ্যালেঞ্জ। তবে, তাঁর ভাষায়, “নির্বাচনের সময় ঘনিয়ে আসলে এই অবস্থার উন্নতি হবে।”

রংপুরে এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, যখন রাষ্ট্র, সরকার ও দল এক হয়ে যায়, তখন সবকিছু একসঙ্গে ভেঙে পড়ে। এর ফলে নির্বাচন ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থা নষ্ট হয়ে গেছে, আর মানুষকে ভোটকেন্দ্রে আনা এখন একটি বড় চ্যালেঞ্জ।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে, এবং এটি মোকাবেলার চেষ্টা চলছে। তাঁর ভাষায়, “গত নির্বাচনে যেসব প্রিজাইডিং অফিসার সমস্যা তৈরি করেছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে নির্বাচন কমিশন।”

নিরপেক্ষতা প্রসঙ্গে সিইসি স্পষ্ট করেন, কমিশন আসন্ন নির্বাচনে কারও পক্ষে বা বিপক্ষে কাজ করবে না; বরং ১৮ কোটি মানুষের হয়ে দায়িত্ব পালন করবে। তিনি বলেন, “ভোট দেওয়া যেমন নাগরিক দায়িত্ব, তেমনই ঈমানি দায়িত্বও বটে।”

তাঁর দাবি, আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন স্বচ্ছ ও সুন্দরভাবে পরিচালনার জন্য সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে।

সর্বশেষ আপডেট: নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যেই নির্বাচনী কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু করেছে, এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় সভা চলছে—যাতে ভোটের দিন নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।

প্রশ্ন রইল—বর্তমান রাজনৈতিক পরিবেশে কি সত্যিই ভোটারদের আস্থা ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে?

Next News Previous News