বিমান থেকে গাজায় ত্রাণ ফেলল ইন্দোনেশিয়াসহ সাত দেশ

অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় মানবিক সংকট মোকাবেলায় বিমান থেকে ত্রাণ ফেলেছে সাতটি দেশ। এরমধ্যে বিশ্বের বৃহত্তম মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ ইন্দোনেশিয়াও রয়েছে।

ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, বুধবার (২০ আগস্ট) ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে জর্ডান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, জার্মানি, নেদারল্যান্ডস, ফ্রান্স ও সিঙ্গাপুর মিলে মোট ১৫৪ প্যালেট ত্রাণ ফেলে। প্রতিটি প্যালেটে কয়েকশ কেজি খাদ্য ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী ছিল বলে জানিয়েছে আইডিএফ।

উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে ইসরায়েলের কোনো কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই। তবুও গাজার ভয়াবহ মানবিক পরিস্থিতিতে দেশটি ত্রাণ কার্যক্রমে যুক্ত হয়েছে।

গাজায় মানবসৃষ্ট দুর্ভিক্ষ শুরু হওয়ায় আন্তর্জাতিক চাপের মুখে ইসরায়েল গত ২৬ জুলাই থেকে বিমানযোগে ত্রাণ ফেলার অনুমতি দেয়। এর আগে দুই মাস ধরে গাজায় কোনো খাদ্যশস্য প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি, ফলে তীব্র খাদ্য সংকটে পড়ে মানুষ। ইতিমধ্যে অন্তত ৩০০ জন অনাহারে মারা গেছেন।

তবে বিমান থেকে ফেলা ত্রাণ পর্যাপ্ত নয়। এমনকি প্যালেট পড়ে কয়েকজনের মৃত্যুও হয়েছে। এ ছাড়া সীমিত ত্রাণের জন্য মানুষের দৌড়াদৌড়ি দৃশ্য মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন বলে সমালোচিত হচ্ছে।

ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, ২৪ জুলাই থেকে এখন পর্যন্ত বিমান থেকে মোট ৪১৫ টন ত্রাণ ফেলা হয়েছে।

প্রশ্ন থেকে যায়— কেবল আকাশপথে সীমিত ত্রাণ ফেলা কি গাজার মানুষের দীর্ঘস্থায়ী দুর্ভিক্ষ মোকাবেলায় যথেষ্ট হবে, নাকি আরও কার্যকর কূটনৈতিক সমাধান প্রয়োজন?

Next News Previous News