টাঙ্গাইলে বিএনপি সমাবেশে বক্তব্য: “নির্বাচন নিয়ে ষড়যন্ত্র বন্ধ করুন”

টাঙ্গাইলের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে বিএনপির এক শীর্ষ নেতা দাবি করেছেন— জনগণের শক্তিকে ভয় পেয়েই অতীতে গণহত্যা ও নির্বাচন নিয়ে ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল। তাঁর ভাষায়, “হাসিনাও জনগণকে ভয় পেতেন। তেমনি যারা ষড়যন্ত্র করে, তারাও জনগণের রায়ের ভয়ে থাকে।”

তিনি আরও বলেন, সামনে গণতন্ত্র আসবে— এটাই স্বাভাবিক। গণতন্ত্র নিয়ে যারা ষড়যন্ত্র করেছে, তারা জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়েছে। তাই গণতন্ত্রের পথে ফিরে আসতে হবে। জনগণ তাদের ভোটাধিকার ব্যবহার করে পছন্দমতো সরকার গঠন করতে চায়।

বক্তব্যে তিনি দাবি করেন, আন্দোলনে বিএনপির প্রায় সাড়ে ৪০০ নেতাকর্মী প্রাণ দিয়েছেন। তাঁর ভাষায়, “শত শহীদের রক্তের বিনিময়ে আজকে ফ্যাসিবাদের পতন ঘটেছে দেশনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বে।” তিনি অভিযোগ করেন, পূর্ববর্তী সরকার দিনে ভোট না নিয়ে রাতে ভোট দিয়ে জনগণের অধিকার হরণ করেছিল, আর সেটি আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও সমালোচিত হয়েছে।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক শামিম আল মামুন। এছাড়া বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ।

সাম্প্রতিক প্রেক্ষাপট

রাজনৈতিক অঙ্গনে এখনো আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু নির্বাচন ব্যবস্থা ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার প্রসঙ্গ। সম্প্রতি বিভিন্ন রাজনৈতিক দলও স্বচ্ছ নির্বাচন নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আগামী নির্বাচনের আগে সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করাই এখন দেশের প্রধান চ্যালেঞ্জ।

প্রশ্ন হচ্ছে— জনগণের ভোটাধিকার ও গণতন্ত্র নিশ্চিত করতে রাজনৈতিক দলগুলো কি এবার সত্যিই সমঝোতার পথে হাঁটবে?

Next News Previous News