জুলাই সনদের ভিত্তিতে নির্বাচনের দাবি জামায়াতের সমাবেশ শুরু

বিদ্যমান ব্যবস্থায় নির্বাচন হলে নতুন ফ্যাসিবাদের শঙ্কা

জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার সতর্ক করেছেন—বিদ্যমান ব্যবস্থায় নির্বাচন হলে দেশে নতুন ধরনের ফ্যাসিবাদ জন্ম নিতে পারে। তিনি মনে করেন, প্রয়োজনীয় সংস্কার ছাড়া নির্বাচন আয়োজন জনগণের সঙ্গে প্রতারণা হবে।

খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলায় এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, “নির্দলীয় সরকারের অধীনে ‘জুলাই সনদ’-এর আইনি স্বীকৃতি দিয়ে সেই ভিত্তিতে জাতীয় নির্বাচন করতে হবে।” তাঁর ভাষায়, “যদি জনগণ অবাধে ভোট দিতে পারে, তবে ইসলামী আদর্শের শক্তিকেই নির্বাচিত করে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব অর্পণ করবে।”

তিনি অভিযোগ করেন, অতীতে ক্ষমতায় থাকা সরকার ভিন্ন দেশের পরামর্শে এসে দেশের আলেম-ওলামাদের ওপর দমন-নিপীড়ন চালিয়েছে, কিন্তু ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে তাদের পতন হয়েছে। আগস্ট বিপ্লবকে অর্থবহ করতে রাজনৈতিক দলগুলোকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

মিয়া গোলাম পরওয়ার আরও বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম লক্ষ্য ছিল রাষ্ট্র সংস্কার। এ জন্য গঠিত কমিশন ও ঐকমত্যের মাধ্যমে ‘জুলাই সনদ’ প্রণয়নের সিদ্ধান্ত হলেও ঘোষণায় তার উল্লেখ না করায় তা গুরুত্ব হারিয়েছে। তাঁর মতে, বাস্তবায়নের দায়িত্ব পরবর্তী সরকারের ওপর ছেড়ে দিলে জনগণের আত্মত্যাগ ভূলুণ্ঠিত হবে।

সমাবেশে অন্যান্য বক্তারা আসন্ন নির্বাচনে “ভোট বিপ্লব” ঘটানোর আহ্বান জানান এবং নির্বাচনী মাঠে সক্রিয় থাকার প্রতিশ্রুতি দেন। এসময় বিভিন্ন দল থেকে নতুন নেতাকর্মীরা জামায়াতে যোগদান করেন।

সর্বশেষ আপডেট: আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, রাজধানী ঢাকার বিজয়নগরে একই দাবিতে জামায়াতের সমাবেশ শুরু হয়েছে, যেখানে কেন্দ্রীয় ও মহানগর নেতারা বক্তব্য রাখবেন। (সূত্র: ঢাকা পোস্ট)

আপনার কী মনে হয়—সংস্কার ছাড়া নির্বাচন হলে তা সত্যিই গণতন্ত্রের জন্য হুমকি হয়ে উঠতে পারে কি?

Next News Previous News