গাজার শিশুদের দুর্দশা নিয়ে আন্তর্জাতিক আহ্বান
তুরস্কের ফার্স্ট লেডি এমিনে এরদোয়ান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের স্ত্রী মেলানিয়া ট্রাম্পকে চিঠি লিখে গাজার শিশুদের দুর্দশা তুলে ধরার আহ্বান জানিয়েছেন। আঙ্কারার কর্তৃপক্ষ শনিবার এ তথ্য প্রকাশ করেছে।
চিঠিতে এমিনে এরদোয়ান উল্লেখ করেছেন, চলতি মাসের শুরুতে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে ইউক্রেন ও রাশিয়ার শিশুদের পরিস্থিতি নিয়ে মেলানিয়া ট্রাম্প যে চিঠি পাঠিয়েছেন, তা তাঁকে অনুপ্রাণিত করেছে।
তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ানের স্ত্রী মেলানিয়ার উদ্দেশে চিঠিতে লেখা হয়েছে, “আমার বিশ্বাস, ৬৪৮ ইউক্রেনীয় শিশুর প্রতি আপনি যে গুরুত্বপূর্ণ সংবেদনশীলতা দেখিয়েছেন... তা গাজাতেও প্রসারিত হবে।”
এছাড়াও চিঠিতে বলা হয়েছে, “বিশ্ব একটি সম্মিলিত জাগরণ অনুভব করছে এবং ফিলিস্তিনের স্বীকৃতি বিশ্বব্যাপী ইচ্ছায় পরিণত হয়েছে। আমি বিশ্বাস করি যে গাজার পক্ষ থেকে আপনার আহ্বান ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি একটি ঐতিহাসিক ভূমিকা রাখবে।”
বিশ্বব্যাপী ক্ষুধা পর্যবেক্ষক একটি সংস্থা শুক্রবার জানিয়েছে যে গাজা শহর ও এর আশপাশের অঞ্চলগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে দুর্ভিক্ষের মুখে পড়েছে এবং এটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে। এর ফলে ফিলিস্তিনি জনগণের জন্য সাহায্য পাঠানোর চাপ ইসরাইলের ওপর বাড়ছে।
তবে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ওই প্রতিবেদনকে ‘সম্পূর্ণ মিথ্যা’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন এবং দাবি করেছেন, ইসরাইলের নীতি হলো অনাহার দূর করা, সৃষ্টি করা নয়।
এমিনে এরদোয়ানের এই চিঠি আন্তর্জাতিক স্তরে মানবিক সংবেদনশীলতার এক নতুন বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে। প্রশ্ন উঠছে, গাজার শিশুদের দুর্দশা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় কতটা কার্যকরভাবে মোকাবিলা করতে পারবে?
