দুই সপ্তাহের মধ্যেই স্পষ্ট হবে ইউক্রেন-রাশিয়া শান্তির সম্ভাবনা: ট্রাম্প

ইউক্রেন ও রাশিয়ার যুদ্ধ থামবে কি না—এ নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে নতুন বার্তা দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তাঁর ভাষায়, “দুই সপ্তাহের মধ্যেই আমরা একভাবে বা অন্যভাবে জানতে পারব।”

মার্কিন কনজারভেটিভ টক রেডিও অনুষ্ঠান দ্য টড স্টার্নস শো-তে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “এরপর হয়তো অন্য পথ নিতে হবে, তবে খুব শিগগিরই আমরা জানতে পারব।”

কূটনৈতিক আলোচনার প্রেক্ষাপট

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো জানাচ্ছে—টানা একাধিক বৈঠক ও কূটনৈতিক তৎপরতার পরেই এ বক্তব্য এল। আলাস্কায় রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠক, হোয়াইট হাউসে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ও ইউরোপীয় নেতাদের সঙ্গে আলোচনার পর শান্তি প্রক্রিয়া নিয়ে সময়সীমা বেঁধে দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

তিনি জানিয়েছেন, পুতিন ও জেলেনস্কির মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের প্রস্তুতি চলছে। এরপর তিনি নিজেও ত্রিপক্ষীয় আলোচনায় অংশ নিতে চান, যাতে সংঘাতের স্থায়ী সমাধান খোঁজা যায়।

ন্যাটো ও যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান

ইউক্রেনের ন্যাটো সদস্যপদ নিয়ে তিনি স্পষ্টভাবে নেতিবাচক অবস্থান জানালেও আলোচনায় “স্থিতিশীল” থাকার আহ্বান জানিয়েছেন জেলেনস্কিকে। ইউরোপীয় দেশগুলো নিরাপত্তা নিশ্চয়তার অংশ হিসেবে স্থলবাহিনী পাঠানোর ইঙ্গিত দিয়েছে। অন্যদিকে সম্ভাব্য শান্তি কাঠামোয় যুক্তরাষ্ট্র আকাশ প্রতিরক্ষা সহযোগিতা দিতে পারে বলে কূটনৈতিক সূত্রগুলো মনে করছে।

রাশিয়ার কঠোর বার্তা

রাশিয়ার নিরাপত্তা কাউন্সিলের উপ-চেয়ারম্যান দিমিত্রি মেদভেদেভ সতর্ক করে বলেছেন, ন্যাটোর সেনা মোতায়েন মস্কোর কাছে “গ্রহণযোগ্য নয়।” তাঁর মতে, এ ধরনের নিরাপত্তা নিশ্চয়তা রাশিয়া কোনোভাবেই মেনে নেবে না।

প্রশ্ন হচ্ছে—আগামী দুই সপ্তাহেই কি যুদ্ধবিরতির সুনির্দিষ্ট রূপরেখা সামনে আসবে, নাকি আবারও ব্যর্থ আলোচনার দুষ্টচক্রে আটকে যাবে শান্তির সম্ভাবনা? আপনার কী মনে হয়?

Next News Previous News