প্রবাসীদের রেমিট্যান্সে ঘুরে দাঁড়িয়েছে দেশের অর্থনীতি
প্রবাসীদের রেমিট্যান্সে ঘুরে দাঁড়িয়েছে দেশের অর্থনীতি
মালয়েশিয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের কারণে এক বছরের মধ্যে দেশের অর্থনীতি মজবুত হয়েছে।
সংক্ষিপ্ত সারসংক্ষেপ
- সভাটি কুয়ালালামপুরে একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে তিনি স্বৈরশাসনের সময় ব্যাংক খালি এবং আর্থিক ব্যবস্থার ক্ষতির কথা স্মরণ করিয়ে দেন। “স্বৈরশাসনের সময় টাকা চুরি করে ব্যাংক খালি করা হয়েছিল। পুরো আর্থিক ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছিল।”
- তিনি লক্ষ করেন, “প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের কারণে অর্থনীতি মজবুত অবস্থায় ফিরে এসেছে।”
- প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করায় আগামী ফেব্রুয়ারির নির্বাচনেও তারা ভোট দিতে পারবেন, বলে তিনি জানান।
- মালয়েশিয়ায় ব্যবসায়ী ও কর্পোরেটদের সঙ্গে বৈঠকে বিনিয়োগের বেশ আশ্বাস এসেছে।
- অনিয়মিত প্রবাসী যাদের আছে, তাদের কাগজপত্র সনদ করতে সরকার কাজ করবে। বৈধ কাগজপত্র নিয়ে বিদেশ আসার পরামর্শ দেন তিনি।
- অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হাইকমিশনার শামীম আহসান, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল, ও পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন।
- এ সফরে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম আমন্ত্রণজনিত তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে অধ্যাপক ইউনূস গতকাল কুয়ালালামপুর পৌঁছান।
সাম্প্রতিক আপডেট (সর্বোচ্চ বিশ্বাসযোগ্য সূত্র থেকে)
- বাংলাদেশের রেমিট্যান্স প্রবাহ চুড়ান্ত ছিল আশ্চর্যজনক – ২০২৪-২৬ অর্থবছরে প্রবাসীরা পাঠালেন **রেকর্ড $30.33 বিলিয়ন**, যা পূর্ববর্তী বছরে $23.91 বিলিয়নের থেকে ২৬.৮০ % বেশি 0।
- আগস্ট মাসের প্রথম পাঁচ দিনে রেমিট্যান্স এক বছর আগে একই সময়ের তুলনায় ৮১.৬ % বেড়ে পৌঁছেছে **$328 মিলিয়ন**—চরম ইতিবাচক সূচক 1।
- প্রধান উপদেষ্টা জানিয়েছেন, “জুন মাসে দেশজুড়ে সর্বনিম্ন ৮.৪৮ % তে হয়েছে মুদ্রাস্ফীতি, যা গত ৩৫ মাসে সবচেয়ে কম” এবং “গত অর্থবছরে রেকর্ড $3.33 বিলিয়ন রেমিট্যান্স এসেছে” 2।
- মালয়েশিয়া সফরকালে, বাংলাদেশ–মালয়েশিয়ার মধ্যে “কৌশলগত অংশীদারিত্ব” জোরদার করতে দুই দেশের নেতারা একমত পোষণ করেছেন। আলোচনায় রেমিট্যান্স, শ্রম, বিনিযোগ, শিক্ষা, রোহিঙ্গা সংকট ও এশিয়ান অংশীদারিত্ব বিষয়ও ছিল গুরুত্ব পায় 3।
ছন্দে শেষের প্রতিফলন
এক অর্থনীতির বিপর্যয়ময় অবস্থার পর স্পষ্টভাবে ফিরে আসা দৃশ্যটি চিন্তার উদ্রেক করে—প্রবাসীদের প্রেরিত রেমিট্যান্স শুধুমাত্র অর্থনৈতিক সমর্থনই নয়, তা সাহস ও বিশ্বাসের প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে।
আপনার কী মনে হয়? উন্নয়নের এই পথে অন্যান্য কার্যকর পদক্ষেপ কী কিছু হতে পারে? আপনার মতামত আমাদের সঙ্গে শেয়ার করুন।
