শিবির সম্পর্কে খারাপ ধারণা ছিল, আজ সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম দেখছি

‘শিবির সম্পর্কে খারাপ ধারণা ছিল, আজ সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম দেখছি’

‘শিবির সম্পর্কে খারাপ ধারণা ছিল, আজ সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম দেখছি’

পাবনায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উঠে এলো ভিন্ন চিত্র।

পাবনায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অতিথিরা বলেছেন, নতুন প্রজন্মের হাত ধরেই ভবিষ্যতের সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে উঠবে। অনুষ্ঠানে বক্তারা শিক্ষার্থীদের শুধু পড়াশোনায় নয়, নৈতিকতা ও সততার ভিত্তিতে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।

একজন অতিথির ভাষায়, আমরা চাই দেশটা সুখে থাকুক, শান্তিতে থাকুক। দুর্নীতি করব না, কাউকে করতেও দেব না।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলা হয়, ভালো ফলাফলের পাশাপাশি দায়িত্বশীল চরিত্র গঠন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। নৈতিকতা হারালে সাফল্যও সমাজে মূল্যহীন হয়ে যাবে। এ সময় যারা ভালো ফলাফল করতে পারেনি, তাদের সান্ত্বনা দিয়ে সামনে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে কয়েকজন শিক্ষার্থী অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন, শিবির সম্পর্কে আমাদের আগে অনেক ভুল ধারণা ছিল। কিন্তু আজকের অনুষ্ঠানে এসে সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম দেখছি। অতিথিদের দেওয়া উপদেশ আমাদের জীবনের জন্য দিকনির্দেশনা হয়ে থাকবে।

আয়োজনের শুরুতে জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। অনুষ্ঠানের শেষাংশে শিক্ষার্থীদের হাতে ক্রেস্ট ও প্রকাশনা সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়।

সাম্প্রতিক প্রেক্ষাপট

দেশের বিভিন্ন জেলায়ও জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান হচ্ছে। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শুধু পরীক্ষার ফল নয়, নতুন প্রজন্মের মূল শক্তি হবে সৎ নেতৃত্ব, গবেষণা ও আধুনিক প্রযুক্তি দক্ষতা।

আপনার মতে, শিক্ষার্থীদের এমন সম্মাননা কি তাদের নৈতিক ও সামাজিক দায়িত্ববোধ গঠনে সহায়তা করতে পারে?

Next News Previous News