আ.লীগারদের গেরিলা প্রশিক্ষণ, মেজর সাদিকের স্ত্রীর দায় স্বীকার

আ.লীগের গেরিলা প্রশিক্ষণ মামলায় মেজর সাদিকের স্ত্রীর স্বীকারোক্তি
আওয়ামী লীগ নেতাদের গেরিলা প্রশিক্ষণ মামলায় মেজর সাদিকের স্ত্রীর স্বীকারোক্তি
ভাটারা থানায় দায়ের করা মামলায় মেজর সাদিকের স্ত্রী সুমাইয়া জাফরিন আদালতে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন

মেজর সাদেক ও তার স্ত্রী সুমাইয়া জাফরিনের বিরুদ্ধে গেরিলা প্রশিক্ষণের অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় সুমাইয়া জাফরিন আদালতে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন।

মঙ্গলবার পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষে আদালতে হাজির করা হয় সুমাইয়া জাফরিনকে। ডিবি তদন্ত কর্মকর্তা মো. জেহাদ হোসেনের কাছে স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়ার আবেদন করেন তিনি।

ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ ফারজানা হক তার জবানবন্দি রেকর্ড করে তাকে কারাগারে পাঠান। ভাটারা থানার প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই জাকির হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, গত ৮ জুলাই বসুন্ধরার কাছে একটি গোপন বৈঠক হয়েছিল যেখানে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ, আওয়ামী লীগ ও অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করেন। সেখানে সরকারবিরোধী স্লোগান দেয়ার পাশাপাশি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে প্রত্যাবর্তনের বিষয় নিয়ে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করার পরিকল্পনা করা হয়।

বৈঠক শেষে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে লোকজন ঢাকায় এসে শাহবাগ মোড় দখল করে আতঙ্ক সৃষ্টি করবে বলে পরিকল্পনা ছিল।

“তাঁর ভাষায়, ‘নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের কর্মীরা একত্র হয়ে দেশের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে পরিকল্পনা করেছিল।’”

১৩ জুলাই ভাটারা থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলাটি দায়ের করেন এসআই জ্যোতির্ময় মন্ডল। বর্তমানে তদন্ত চলছে।

আপনি কী ভাবছেন, রাজনৈতিক সংঘর্ষের এই ধরনের ঘটনার প্রতি প্রশাসন ও সমাজের প্রতিক্রিয়া কেমন হওয়া উচিত?
Next News Previous News