কাশেম সোলেমানি ও লারিজানির স্বজনদের যেভাবে গ্রেফতার করল মার্কিন বাহিনী
মার্কিন বাহিনী গ্রেফতার করেছে ইরানি নেতাদের স্বজন
ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) সাবেক প্রধান কাশেম সোলেমানি ও নিরাপত্তা কাউন্সিলের সাবেক প্রধান ড. আলী লারিজানি-এর স্বজনদের গ্রেফতার করেছে মার্কিন বাহিনী।
সোলেমানি ২০২০ সালের ৩ জানুয়ারি ইরাকের রাজধানী বাগদাদে মার্কিন বিমান হামলায় নিহত হন। তখনও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ড. লারিজানি গত ১৭ মার্চ ইরানে মার্কিন-ইসরাইলি হামলায় নিহত হন। তবে তাদের সন্তানসহ বেশ কয়েক স্বজনকে আটক করেছে যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী।
গ্রেফতারের পেছনের কারণ
মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় শনিবার (৪ এপ্রিল) জানায়, মার্কিন ফেডারেল এজেন্টরা কাশেম সোলেমানির ভাতিজি ও নাতনিকে গ্রেপ্তার করেছেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও তাদের আইনগত স্থায়ী বসবাসের অনুমতি (গ্রিন কার্ড) বাতিল করার পর এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়। বিবৃতিতে বলা হয়েছে:
- হামিদেহ সোলেমানি আফশার ও তার মেয়ে এখন মার্কিন ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (ICE)-এর হেফাজতে আছেন।
- এই জুটি আমেরিকায় বসবাসের সময় আফশার ইরানি শাসনের প্রচারণা চালিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সৈন্য ও সামরিক স্থাপনায় হামলা উদযাপন করেছেন এবং আইআরজিসির প্রতি অবিচল সমর্থন প্রকাশ করেছেন।
- ফাতিমেহ আরদেশির-লারিজানি এবং তার স্বামী সৈয়দ কালান্টার মোতামেদির আইনি মর্যাদা বাতিল করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতে তাদের প্রবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতি
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আফশার লস অ্যাঞ্জেলেসে অত্যন্ত বিলাসবহুল জীবনযাপন করার পাশাপাশি এসব কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছিলেন। তার ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টের পোস্টগুলোই প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ‘ট্রাম্প প্রশাসন আমাদের দেশকে এমন বিদেশি নাগরিকদের আবাসে পরিণত হতে দেবে না, যারা আমেরিকাবিরোধী শাসনকে সমর্থন করে।’
