পরিবেশটা আবার ধীরে ধীরে ভয়ের মধ্যে ঢুকে যাচ্ছে
অধস্তন আদালতের ২৮ জন বিচারককে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মতামত প্রকাশের জেরে শোকজ করার ঘটনায় নতুন করে রাজনৈতিক ও বিচারিক অঙ্গনে আলোচনা তৈরি হয়েছে। এ বিষয়ে জাতীয় সংসদের সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। সরকারিভাবে বিচারকদের সাত কার্যদিবসের মধ্যে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। 0
হাসনাতের পোস্টে কী বলা হয়েছে
নিজের ফেসবুক পোস্টে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, বিচারকদের নিজেদের অভ্যন্তরীণ আলোচনার জায়গাটিও যদি নিরাপদ না থাকে, তাহলে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা কোথায় দাঁড়িয়ে আছে— এ প্রশ্ন এখন সামনে এসেছে। তার ভাষায়, ব্যক্তিগত বা অভ্যন্তরীণ গ্রুপের আলোচনার স্ক্রিনশট নিয়ে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা বিচারকদের মধ্যে ভীতির পরিবেশ তৈরি করতে পারে।
তিনি আরও মন্তব্য করেন, “বার্তাটা খুব পরিষ্কার— চুপ থাকুন, না হলে সমস্যায় পড়বেন।” এই বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি সরকারের পদক্ষেপকে বিচারকদের কণ্ঠস্বর নিয়ন্ত্রণের প্রচেষ্টা হিসেবে তুলে ধরেছেন।
সরকারের পদক্ষেপ ও আইন মন্ত্রণালয়ের অবস্থান
আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো শোকজ নোটিশে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট বিচারকরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিয়োগ ও তদারকি কর্তৃপক্ষ সম্পর্কে নেতিবাচক ও উসকানিমূলক মন্তব্য করেছেন, যা হাইকোর্টের ২০১৯ সালের নির্দেশনার পরিপন্থী এবং আচরণবিধির লঙ্ঘ
