আলোচনার বাইরে হাদি হত্যার আসল খুনি : সালাহউদ্দিন আম্মার

শহীদ ওসমান হাদির হত্যায় আসল হুকুমদাতার সন্ধানে রাকসুর জিএস সালাহউদ্দিন আম্মা

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু)-র সাধারণ সম্পাদক সালাহউদ্দিন আম্মা বলেছেন, শহীদ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ড নিয়ে আলোচনায় একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বারবার এড়িয়ে যাওয়া হচ্ছে—খুনি এবং শ্যুটারকে একইভাবে দেখা। সোমবার (৯ মার্চ) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে তিনি হাদির হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে মতামত ব্যক্ত করেন।

শ্যুটার এবং খুনি: দুই ভিন্ন বিষয়

সালাহউদ্দিন আম্মা লিখেছেন, কোনো হত্যাকাণ্ডে ট্রিগার টানানো ব্যক্তি সর্বদা প্রকৃত খুনি নয়। এটি হতে পারে একজন ভাড়াটে, ব্যবহৃত মানুষ, বা অপারেশনের নীচের স্তরের অংশগ্রহণকারী। কিন্তু আসল দায়ী হল সেই ব্যক্তি বা গোষ্ঠী, যিনি হত্যার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, পরিকল্পনা করেছেন এবং নির্দেশ দিয়েছেন।

হুকুমদাতার প্রশ্ন এখনও অমীমাংসিত

তিনি বলেন, শ্যুটারকে আটক করার প্রক্রিয়ায় কি সত্যিই হত্যার মূল পরিকল্পনাকারীর পরিচয় উদঘাটিত হচ্ছে? মিডিয়া রিপোর্ট, রাজনৈতিক বক্তব্য বা সরকারি বয়ান—কোথাও স্পষ্টভাবে হত্যার হুকুমদাতা বা মাস্টারমাইন্ড নিয়ে কোনো অনুসন্ধান দেখা যাচ্ছে না।

সালাহউদ্দিন আরও বলেন, “হাদির শ্যুটার কে—এই প্রশ্নের চেয়ে বড় প্রশ্ন হলো, হাদির হত্যার হুকুমদাতা কে? পরিকল্পনাকারী কে? কার স্বার্থে এই হত্যা ঘটানো হয়েছিল?” তিনি যুক্তি দিয়েছেন, এই প্রশ্নগুলোর উত্তর ছাড়া কোনো তদন্তই পূর্ণাঙ্গ ধারা গ্রহণ করতে পারে না।

শ্যুটারদের দেশে ফেরত আনা জরুরি

রাকসুর জিএস বলেন, হত্যার পুরো চিত্র বোঝার জন্য শ্যুটারদের জীবিতভাবে দেশে ফিরিয়ে আনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর মাধ্যমে জানা সম্ভব হবে, হাদিকে কোন সংস্থা বা স্ট্রাকচারের জন্য হত্যা করা হয়েছে। এই তথ্য ছাড়া হত্যা সম্পর্কে সঠিক বিচার বা তদন্ত সম্পূর্ণ হবে না।

আম্মার মন্তব্য রাজনৈতিক এবং সামাজিক প্রেক্ষাপটে হাদির হত্যাকাণ্ডের গভীর তদন্তের প্রয়োজনীয়তা পুনর্ব্যক্ত করেছে, যেখানে কেবল শ্যুটারকে আটক করাই যথেষ্ট নয়, পুরো পরিকল্পনাকারী ও হুকুমদাতার পরিচয় নির্ধারণই মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত।

Source: Based on verified Facebook post by Salahuddin Amma, Rajshahi University Central Student Union (RACSU).

Next News Previous News