রাজনৈতিক চাপ ও হুমকির মুখে ‘আজাদি এক্সপ্রেস ক্রিকেট একাদশ’
নাটোরের গুরুদাশপুরে সামাজিক ক্রীড়াচর্চা ও তরুণ সমাজকে ইতিবাচক পথে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে গড়ে ওঠা ‘আজাদি এক্সপ্রেস ক্রিকেট একাদশ’ বর্তমানে রাজনৈতিক চাপ ও ধারাবাহিক হুমকির মুখে পড়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চরম উদ্বেগ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।
কী ঘটেছিল?
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কোনো ধরনের পূর্বঘোষণা বা লিখিত নির্দেশনা ছাড়াই একটি চলমান ক্রিকেট খেলা হঠাৎ বন্ধ করে দেওয়া হয়। আয়োজকদের অভিযোগ, এই সিদ্ধান্তের পেছনে একজন প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তির প্রত্যক্ষ হস্তক্ষেপ রয়েছে।
খেলা বন্ধ করে দেওয়ার ঘটনায় খেলোয়াড় ও দর্শকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
হুমকি, চাপ ও চলাচলে বাধা
খেলা বন্ধের পর থেকেই আজাদি এক্সপ্রেস ক্রিকেট একাদশের সদস্যদের ওপর চাপ বাড়তে থাকে। একাধিক সদস্য অভিযোগ করেন, বিভিন্ন অজ্ঞাত মোবাইল নম্বর থেকে নিয়মিত হুমকি-ধামকি দেওয়া হচ্ছে।
“কেন উসমান হাদিকে নিয়ে এত সরব?”
এছাড়াও সদস্যদের স্বাভাবিক চলাচলে বাধা সৃষ্টি, সামাজিকভাবে চাপে রাখার চেষ্টা এবং ভীতিকর পরিবেশ তৈরির অভিযোগ পাওয়া গেছে।
রাজনৈতিক নয়, তবু রাজনৈতিক বাধা কেন?
জানা গেছে, আজাদি এক্সপ্রেস ক্রিকেট একাদশ কোনো রাজনৈতিক সংগঠন নয়। এটি একটি সম্পূর্ণ সামাজিক ও ক্রীড়া ভিত্তিক উদ্যোগ, যার লক্ষ্য তরুণদের শৃঙ্খলা, ঐক্য ও মানবিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ করা—বিশেষ করে হাদি ভাইয়ের আদর্শ ছড়িয়ে দেওয়া।
একটি অরাজনৈতিক ক্রিকেট দল কেন রাজনৈতিক টার্গেটে পরিণত হলো?
সামাজিক ক্রীড়া উদ্যোগে কার স্বার্থে এই বাধা?
মতাদর্শ ছড়িয়ে দেওয়াই কি অপরাধ?
প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন
এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো কোনো স্পষ্ট বক্তব্য পাওয়া যায়নি। প্রশাসনের এই নীরবতা সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন তুলছে—এই ঘটনায় কি রাজনৈতিক চাপ কাজ করছে?
ভুক্তভোগীদের দাবি
- হুমকিদাতাদের সনাক্ত করে নিরপেক্ষ তদন্ত
- খেলাধুলার জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা
- রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত সামাজিক উদ্যোগে প্রশাসনিক সহযোগিতা
“আমরা মাঠে খেলতে চাই, সমাজে ইতিবাচক বার্তা দিতে চাই—ভয় আর হুমকির মধ্যে থাকতে চাই না।”
