নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন ব্যারিস্টার মওদুদের স্ত্রী
নোয়াখালী-৫: ব্যারিস্টার মওদুদের স্ত্রী নির্বাচনি প্রতিযোগিতা থেকে সরে দাঁড়ালেন
নোয়াখালী-৫ (কোম্পানীগঞ্জ-কবিরহাট ও সদর আংশিক) আসনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য প্রয়াত ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদের স্ত্রী হাসনা জসীমউদদীন মওদুদ স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার পর শেষ পর্যন্ত তার প্রার্থিতা প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বুধবার (৭ জানুয়ারি) বিকেল ৪টার দিকে তিনি এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
প্রার্থিতা প্রত্যাহারের কারণ
হাসনা জসীমউদদীন মওদুদ বলেন, “আমার স্বামী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ এবং আমি ৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে এই এলাকার সেবা করেছি। আওয়ামী লীগের প্রতিহিংসার কারণে ২০১৭ সাল থেকে আমি আমার বাড়ি হারিয়েছি। দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে আশাহত হয়েছি। তাই স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছিলাম।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন, “দলের চেয়ারপারসন ও নতুন নেতৃত্বের প্রতি সম্মান জানিয়ে আমি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ২০ জানুয়ারির মধ্যে আমি সশরীরে গিয়ে প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করব।”
রাজনৈতিক পটভূমি
হাসনা জসীমউদদীন মওদুদ পল্লীকবি জসীমউদদীনের কন্যা এবং প্রয়াত ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদের স্ত্রী। তিনি ১৯৮৬ এবং ১৯৮৮ সালে স্বামীর ছেড়ে দেওয়া নোয়াখালী-৫ আসনে সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। এবারের নির্বাচনে বিএনপি মনোনয়ন পেয়েছেন মো. ফখরুল ইসলাম, যার কারণে হাসনা জসীমউদদীন স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন।
স্থানীয় ও মানুষের প্রতিক্রিয়া
নোয়াখালী-৫ এলাকার রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, হাসনা জসীমউদদদীন মওদুদের প্রার্থিতা প্রত্যাহারের ফলে নির্বাচনী লড়াই আরও কেন্দ্রীভূত হবে এবং বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মো. ফখরুল ইসলামের সুযোগ শক্তিশালী হবে। এলাকার মানুষও আশা করছেন, রাজনৈতিক বিভাজন কমে স্থানীয় উন্নয়ন ও শান্তিপূর্ণ ভোট প্রক্রিয়া নিশ্চিত হবে।
উপসংহার
হাসনা জসীমউদদীন মওদুদের সিদ্ধান্ত নির্বাচনী মাঠে রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে নতুনভাবে প্রভাবিত করতে পারে। তার দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অবদান ও পরিবারিক ঐতিহ্য নোয়াখালী-৫ আসনে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় বিশেষ গুরুত্ব রাখে।
Source: Based on reporting from সারাবাংলা
