ফুটবল প্রতীকে ভোট করতে চান তাসনিম জারা

ঢাকা-৯ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. তাসনিম জারা আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফুটবল প্রতীকে ভোট চাইবেন। শনিবার (১০ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের আপিল শুনানিতে তার মনোনয়ন বৈধ ঘোষিত হয়েছে। এর ফলে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন।

মনোনয়ন বৈধ, প্রতীকের জন্য আবেদন

নির্বাচন কমিশনের আপিল শুনানির পর তাসনিম জারা সাংবাদিকদের জানান, “আমাদের আপিল মঞ্জুর হয়েছে। ঢাকা-৯ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আমার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। গত এক সপ্তাহে বিভিন্ন ধরনের অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে গিয়েছি। দেশ-বিদেশ থেকে অনেক শুভেচ্ছা ও দোয়া পেয়েছি। মানুষের সঙ্গে রাস্তায় কথা বলার সময় অনেকেই তাদের হতাশা ও সহমর্মিতা জানিয়েছে।”

তিনি আরও জানান, এবার তিনি মার্কার বা প্রতীকের জন্য আবেদন করবেন। “আমাদের পছন্দ ফুটবল মার্কা। সেটি নিয়ে নির্বাচন কমিশনে আবেদন করা হবে। এরপর কমিশনের সিদ্ধান্তের অপেক্ষা করতে হবে,” জারা বলেন।

স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে রাজনৈতিক পথ

ডা. তাসনিম জারা এর আগে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে পদত্যাগ করেছেন। তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ঢাকা-৯ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর আগে ৩ জানুয়ারি ঢাকা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা তার মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করেছিলেন। এরপর তিনি তা নিয়ে আপিল করেছিলেন, যা সফল হয়েছে।

জনসমর্থন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

তাসনিম জারা বলেন, “মানুষের জনসমর্থন ও দোয়া আমাকে উৎসাহ দিয়েছে। আগামী নির্বাচনে আমি শক্তভাবে লড়াই করার পরিকল্পনা করেছি। প্রতীকের মাধ্যমে জনগণের কাছে আমাদের বার্তা পৌঁছানো হবে।” তিনি আশা প্রকাশ করেছেন যে, জনগণ তাদের সমর্থন দিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে এবং ভোটের মাধ্যমে রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় সক্রিয় ভূমিকা রাখবে।

বাংলাদেশে প্রাসঙ্গিকতা

ঢাকা-৯ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের অংশগ্রহণ স্থানীয় রাজনৈতিক দৃশ্যপটকে সমৃদ্ধ করছে। বিশেষ করে ফুটবল প্রতীকের মতো পরিচিত চিহ্ন নির্বাচনে ব্যবহার করা হলে ভোটারদের জন্য সনাক্ত করা সহজ হয় এবং ভোট প্রদান প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পায়। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, স্বতন্ত্র প্রার্থীর অংশগ্রহণ ভোটের বৈচিত্র্য ও প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি করবে।

উপসংহার

মনোনয়ন বৈধ হওয়ার পর ডা. তাসনিম জারা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ঢাকা-৯ আসনে ভোটারদের সমর্থন চাইবেন ফুটবল প্রতীকের মাধ্যমে। তার এই উদ্যোগ স্থানীয় নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে এবং নির্বাচনের সময় সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ ও সচেতনতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করবে।

Source: Based on reporting from Amar Desh Online

Next Post Previous Post

Advertisement