শিক্ষার উন্নয়ন ছাড়া কোনো জাতি মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারে না
শিক্ষার উন্নয়ন ছাড়া কোনো জাতি মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারে না: শিক্ষা উপদেষ্টা
টাঙ্গাইলে শিক্ষা উপদেষ্টা প্রফেসর ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার বলেছেন, “শিক্ষা আলোকচ্ছটা, যা সূর্যের মতো উজ্জ্বল। শিক্ষিত ব্যক্তি শুধু নিজেকে আলোকিত করে না, চারপাশের মানুষকেও আলোকিত করে।” তিনি আরও বলেন, শিক্ষার উন্নয়ন ছাড়া কোনো জাতি মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারে না। শিক্ষার্থীদের সুশিক্ষায় গড়ে তুলে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।
শিক্ষা উন্নয়নের গুরুত্ব
রোববার (২৫ জানুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার নাগবাড়ী হাসিনা চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রফেসর রফিকুল আবরার। তিনি বলেন, শিক্ষা শুধু বই-কলম নয়; এটি মানুষের চরিত্র গঠনের মূল ভিত্তি। শিক্ষার আলো সমাজকে এগিয়ে নিয়ে যায় এবং জাতির উন্নয়নে ভূমিকা রাখে।
গুণী ব্যক্তিদের সম্মাননা প্রদান
অনুষ্ঠানে দেশবরেণ্য বীরমুক্তিযোদ্ধা কবি বুলবুল খান মাহবুব এবং সাবেক প্রধান শিক্ষক মো. আফরোজ হোসেন সিদ্দিকীকে আজীবন সম্মাননা প্রদান করা হয়। শিক্ষার উন্নয়নে তাদের অবদানকে সম্মান জানিয়ে প্রফেসর রফিকুল আবরার বলেন, “দেশের গুণী ব্যক্তিত্বদের সম্মাননা ভবিষ্যতের প্রেরণা হিসেবে কাজ করে। গুণীজনদের সম্মান পেলে তরুণরা অনুপ্রাণিত হয়।”
অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিবৃন্দ
সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আবুল হাসান চৌধুরী কায়ছার। অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আবুল হাশেম। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. খায়রুল ইসলাম, সহকারী পুলিশ সুপার (কালিহাতী সার্কেল) মুঞ্জুরুল ইসলাম, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা রেবেকা সুলতানা, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার একেএম আমির হোসেন, স্থানীয় সমাজসেবক ও সাবেক ব্যাংকার আবুল কাশেম চৌধুরী প্রমুখ।
স্থানীয় শিক্ষাব্যবস্থা ও সমাজে প্রভাব
কালিহাতী উপজেলার মতো এলাকায় শিক্ষার মান উন্নয়নের মাধ্যমে তরুণদের মধ্যে সচেতনতা বাড়ছে। গুণীজনদের সম্মাননা অনুষ্ঠান শিক্ষা ও সামাজিক মূল্যবোধকে শক্তিশালী করে, যা এলাকার যুবসমাজকে দেশপ্রেম ও দায়িত্ববোধে উদ্বুদ্ধ করে। শিক্ষার আলোই দেশের উন্নয়নের মূল চালিকা শক্তি—এমনই বার্তা দেন অনুষ্ঠানে বক্তারা।
উল্লেখযোগ্য যে, শিক্ষা ক্ষেত্রে উন্নয়ন শুধু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গঠনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এটি শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর মানসিকতা, সুশাসন, পরিবার ও সমাজের সহায়ক ভূমিকা নিয়েও নির্ধারিত হয়। এই ধরনের সম্মাননা অনুষ্ঠান সামাজিকভাবে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে এবং স্থানীয় পর্যায়ে শিক্ষার মান বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা রাখে।
উপস্থিতদের মধ্যে একাধিক কর্মকর্তা ও সমাজসেবক এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শিক্ষার গুরুত্ব ও গুণীজনদের অবদানের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের মূল্যায়ন করেন।
Source: Based on reporting from Dhaka Post
