যে কারণে দলগুলোর আসন সংখ্যা জানালেন না জামায়াত আমির

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, সবাই মিলে একটি গ্রহণযোগ্য ও ভালো নির্বাচন আয়োজন করাই তাদের মূল লক্ষ্য। নির্বাচনি আসন বণ্টনের বিষয়ে তিনি জানান, প্রায় সব আসনে সমঝোতা হলেও সামান্য কিছু আলোচনা এখনো বাকি থাকায় নির্দিষ্ট আসনসংখ্যা এই মুহূর্তে প্রকাশ করা হয়নি।

রোববার (২৮ ডিসেম্বর) বিকেল ৫টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের তৃতীয়তলার আবদুস সালাম হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

১০ দলীয় নির্বাচনি জোটের আত্মপ্রকাশ

সংবাদ সম্মেলনে জামায়াত আমির জানান, এনসিপি ও এলডিপিকে অন্তর্ভুক্ত করে জামায়াতের নেতৃত্বে ১০ দলীয় নির্বাচনি সমঝোতার জোটের আত্মপ্রকাশ হয়েছে। তিনি বলেন, ৩০০ আসনেই জোটভুক্ত দলগুলোর মধ্যে আলোচনা হয়েছে এবং অধিকাংশ আসনে সমঝোতা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।

ডা. শফিকুর রহমানের ভাষ্য অনুযায়ী, শেষ পর্যায়ে যুক্ত হওয়া দুই দলের কারণে কিছু কারিগরি বিষয় রয়ে গেছে। মনোনয়নপত্র দাখিলের পর পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে এসব বিষয় সমাধান করা হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

মনোনয়ন দাখিলের পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত

তিনি আরও বলেন, অনেক দলের আগ্রহ থাকা সত্ত্বেও সবাইকে জোটে যুক্ত করা সম্ভব হয়নি। জোটের কাঠামো ও সমঝোতা মোটামুটি চূড়ান্ত হয়েছে। আসন সমঝোতা প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে এবং মনোনয়নপত্র দাখিলের পর ন্যায্যতার ভিত্তিতে আসন বণ্টন চূড়ান্ত করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত নেতারা

সংবাদ সম্মেলনটি সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক। এতে উপস্থিত ছিলেন কর্নেল (অবসরপ্রাপ্ত) অলি আহমেদ বীর বিক্রম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রেসিডিয়াম সদস্য আশরাফ আলী আকন, খেলাফত মজলিসের আহমদ আব্দুল বাছেত, জাগপার সহ-সভাপতি রাশেদ প্রধানসহ জোটভুক্ত আট দলের শীর্ষ নেতারা।

জোটে যুক্ত নতুন দুটি দল

ডা. শফিকুর রহমান জানান, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ সমমনা আটটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে নতুন করে আরও দুটি দল যুক্ত হয়েছে। নতুন যুক্ত দল দুটি হলো এলডিপি ও এনসিপি।

আগে থেকে জোটে থাকা দলগুলো হলো— বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, খেলাফত মজলিস, নেজামে ইসলাম পার্টি, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি।

Source: Amar Desh Online

Next Post Previous Post

Advertisement