নোয়াখালীতে জাতীয় নাগরিক পার্টির পদযাত্রা: "মানুষের ঢল নামবে", আশাবাদ নেতাদের
নোয়াখালীতে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আসন্ন পদযাত্রাকে ঘিরে জোর প্রস্তুতি চলছে—দলের শীর্ষ নেতারা বলছেন, এই কর্মসূচিতে সাধারণ মানুষের ব্যাপক সাড়া মিলবে বলে তারা আশাবাদী।
মাইজদীতে আয়োজিত এক প্রস্তুতি সভায় সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক বলেন, “জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি ও নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে এনসিপির পদযাত্রা চলছে। সাধারণ মানুষের গণজোয়ার আমরা দেখেছি। এবার নোয়াখালীবাসী রাস্তায় নামবে—অধিকার, দুর্নীতি ও দুঃশাসনের বিরুদ্ধে বার্তা দিতে।”
তাঁর ভাষায়, “এটি হবে জনগণের শক্তির বহিঃপ্রকাশ। সময় এসেছে অন্যায় ও অনিয়মের বিরুদ্ধে দাঁড়াবার।”
তিনি আরও জানান, দলটি জনগণের কাছাকাছি যেতে এবং নিপীড়িতদের পাশে থাকতে কাজ করছে। “নতুন বাংলাদেশ গড়তে এনসিপি জনগণের মনোভাব বোঝার চেষ্টা করছে, আর ভবিষ্যতের পথচলায় তারাই আমাদের সঙ্গী হবে।”
প্রস্তুতি সভায় জানানো হয়, আগামী ২১ জুলাই কেন্দ্রীয় নেতারা ফেনী হয়ে নোয়াখালীতে প্রবেশ করবেন। আর ২২ জুলাই সকাল ১১টায় মাইজদী নতুন বাসস্ট্যান্ড থেকে পদযাত্রা শুরু হবে। এই পদযাত্রা শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে সুপারমার্কেটের সামনে গিয়ে শেষ হবে, পরে নেতারা যাবেন লক্ষ্মীপুরের রামগতি।
এনসিপির কেন্দ্রীয় এক সদস্য বলেন, “এই কর্মসূচি নোয়াখালীতে আমাদের জনসম্পৃক্ততা আরও বাড়াবে এবং রাজনীতিতে নতুন বার্তা দেবে।”
সভায় বিভিন্ন উপজেলা থেকে আগত নেতাকর্মীরা অংশ নেন। উপস্থিত ছিলেন জেলা পর্যায়ের সংগঠক ও ছাত্র আন্দোলনের নেতারাও। পদযাত্রা সফল করতে ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত প্রচার-প্রচারণা জোরদার করার নির্দেশ দেওয়া হয়।
সাম্প্রতিক প্রেক্ষাপট: দেশের বিভিন্ন স্থানে ইতোমধ্যেই এনসিপির পদযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উত্তরবঙ্গে আয়োজিত কর্মসূচিগুলোতে জনগণের অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো। এবার নজর নোয়াখালীর দিকে—যেখানে এই কর্মসূচি দলীয় প্রসারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হয়ে উঠতে পারে।
জনগণের অংশগ্রহণ যদি আশানুরূপ হয়—তবে এটি কী রাজনীতির মাঠে এনসিপিকে নতুন জায়গায় নিয়ে যেতে পারে? আপনাদের কী মত?
