নতুন দায়িত্বে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন, সদস্য বেড়ে হলো ২৪

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশীয় ঔষধ শিল্পের নীতিগত দিকনির্দেশনা আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যবিশিষ্ট জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

নতুন পরিষদে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যানসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার প্রতিনিধিদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

এর আগে গত ২১ জুন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রীকে সভাপতি করে ২২ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করা হয়েছিল। তবে নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে আগের আদেশ বাতিল করে ২৪ সদস্যের পুনর্গঠিত পরিষদ গঠন করা হয়েছে, যা অবিলম্বে কার্যকর হবে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। তবে জাতীয় প্রয়োজন বা জরুরি পরিস্থিতিতে অতিরিক্ত সভা আয়োজন করা যাবে। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের কো-অপ্ট সদস্য হিসেবেও অন্তর্ভুক্ত করার সুযোগ রাখা হয়েছে।

পরিষদের সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী, বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান, অর্থ বিভাগের সচিব, এনবিআর চেয়ারম্যান, লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের সচিব, খাদ্য, শিল্প, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, বিদ্যুৎ, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিবরা।

এ ছাড়া ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, বাংলাদেশ ফার্মেসি কাউন্সিলের সচিব, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি ও রসায়ন বিভাগের চেয়ারম্যান, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির সভাপতিও পরিষদের সদস্য হিসেবে থাকবেন।

সরকার জানিয়েছে, জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, দেশের চাহিদা অনুযায়ী ঔষধ উৎপাদন ও সরবরাহ নিশ্চিত করা, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা প্রণয়ন ও প্রতি দুই বছর অন্তর তা হালনাগাদসহ বিভিন্ন নীতিগত বিষয়ে সরকারকে পরামর্শ দেবে।

এ ছাড়া ঔষধ ও কাঁচামাল আমদানি, উৎপাদন ও রপ্তানি, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সরকারি সংস্থার কার্যক্রমে সমন্বয় এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণে সরকারকে পরামর্শ দেওয়ার দায়িত্বও পালন করবে এই পরিষদ।

Next News Previous News