রামিসা হত্যা মামলায় সর্বোচ্চ শাস্তি দেবেন আদালত, আশা আইনমন্ত্রীর
রামিসা হত্যা মামলায় সর্বোচ্চ শাস্তির আশা আইনমন্ত্রীর
রাজধানীর মিরপুরে শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আদালত সর্বোচ্চ শাস্তি দেবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান।
রোববার (৩১ মে) সকালে ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে জেলা পরিষদের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
আইনমন্ত্রী জানান, সরকারের হাতে যতটুকু সময় ও ক্ষমতা ছিল, তা যথাযথভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে। তিনি বলেন, “আমরা বলেছিলাম এক সপ্তাহের মধ্যে চার্জশিট দেওয়া হবে। আলহামদুলিল্লাহ, এক সপ্তাহের মধ্যেই চার্জশিট দিতে পেরেছি। এখন বিষয়টি আদালতের এখতিয়ার। আদালতকে আমরা সর্বাত্মক সহযোগিতা করব।”
তিনি আরও বলেন, সোমবার আদালত খোলার প্রথম দিনেই মামলাটি গুরুত্বের সঙ্গে শুনানির জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে। আদালতের সিদ্ধান্তের প্রতি সম্মান জানিয়ে তিনি বলেন, “আমরা শুধু আদালতের কাছে ন্যায়বিচারের প্রত্যাশা করতে পারি।”
রামিসা হত্যাকাণ্ডের সর্বোচ্চ শাস্তি চেয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, “সাক্ষ্য-প্রমাণ এবং আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির ভিত্তিতে আদালত সর্বোচ্চ শাস্তির বিষয়টি বিবেচনা করবেন বলে আমি মনে করি।”
সংবিধান সংশোধন নিয়ে বিরোধী দলের অপেক্ষায় সরকার
সংবিধান সংশোধনের জন্য গঠিত কমিটিতে বিরোধী দল কোনো প্রতিনিধি দিয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, এখনো কোনো নাম পাওয়া যায়নি।
তিনি জানান, ১৭ সদস্যের সংবিধান সংশোধন কমিটিতে সরকারের পক্ষ থেকে সাতজন, স্বতন্ত্র সদস্যদের মধ্য থেকে পাঁচজন রাখা হয়েছে। বাকি পাঁচজনের নাম বিরোধী দলের কাছ থেকে চাওয়া হয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, “তারা জানিয়েছে, পরবর্তী অধিবেশনে তাদের নাম জানাবে। আমরা অপেক্ষা করছি। তাদের নাম পেলেই জুলাই সনদের আলোকে সংবিধান সংশোধনের কাজ এগিয়ে নেওয়া হবে।”
অধ্যাদেশ নিয়ে চলছে যাচাই-বাছাই
অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ের অধ্যাদেশগুলো সংসদে উপস্থাপন করা হবে কি না—এমন প্রশ্নের উত্তরে আইনমন্ত্রী বলেন, এগুলো বাতিল করা হয়নি, বরং এখনো উপস্থাপন করা হয়নি।
তিনি বলেন, “আমরা আরও যাচাই-বাছাই করছি। এরই মধ্যে মানবাধিকার কমিশন আইন এবং গুম কমিশন আইন নিয়ে প্রাথমিক পরামর্শ গ্রহণ করা হয়েছে। বিভিন্ন মহল থেকে পাওয়া সুপারিশগুলো পর্যালোচনা করা হচ্ছে।”
মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই শেষে দ্রুত সময়ের মধ্যেই গুরুত্বপূর্ণ আইনগুলোকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সামনে আনা হবে।
